চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিসিএস ক্যাডার হয়েছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব কামাল হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর প্রথমে তার বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। এ মামলায় জামিন নিতে গেলে ৩৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।
দুদকের তথ্য বলছে, জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন এরকম একডজন ব্যক্তির তথ্য পেয়েছেন তারা। এর মধ্যে ২০০৮ সালের ২৯তম বিসিএসে নিয়োগপ্রাপ্ত ৬ জন রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করেছে সংস্থাটি। মামলায় বলা হয়েছে, কোটা না থাকলেও ফল প্রকাশের ৬ মাস পরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়েছেন।
তারা হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলমসহ অন্যরা।
এছাড়া জাল সনদে ৩৮ ও ৪১তম বিসিএসে চাকরি নেয়ার অভিযোগে আরও তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
আরও পড়ুন: ৫০তম বিসিএস প্রিলি চলছে, ২ লাখ ৯০ হাজার চাকরিপ্রার্থী
দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, শুধু বিসিএস ক্যাডারদের টার্গেট করে নয়, বরং যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আসছে তাদের বিরুদ্ধেই নেয়া হচ্ছে পদক্ষেপ।
দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. শাহজাহান সাজু বলছেন, জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বিসিএস ক্যাডার হওয়া ব্যক্তিদের লক্ষ্যই থাকে দুর্নীতি করা। কাজেই তাদের শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।
এছাড়া, পিএসসির সাবেক ড্রাইভার আবেদ আলীর সহায়তায় চাকরি নেয়ার অভিযোগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকুকে সম্প্রতি দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

২ সপ্তাহ আগে
৩







Bengali (BD) ·
English (US) ·