জামালপুরে ব্রিজ সংকটে ১০ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ

১ সপ্তাহে আগে
বন্যার পানির প্রবল স্রোতে দেবে যাওয়া ব্রিজের পুনর্নির্মাণে ধীরগতির কারণে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ। সাত বছর ধরে ভেঙে থাকা সেতুর কারণে আন্তঃজেলা সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে।

২০১৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় পাঠনপাড়া গলাডোবা নদের ওপর থাকা সেতুটির চারটি গার্ডার দেবে যায়। এতে জামালপুর সদর, মেলান্দহ, সরিষাবাড়ি ও মাদারগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে ওই ১০ গ্রামের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০২৪ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) নতুন করে সেতু নির্মাণকাজ শুরু করে, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা।

 

পাঠানপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আইজল শেখ বলেন, ‘২০১৮ সালের বন্যায় সেতুটি ধসে যাওয়ার পর থেকে আমরা নৌকা দিয়ে নদ পার হচ্ছি। কৃষিপণ্য আনা-নেয়া সম্ভব হচ্ছে না, সন্ধ্যার পর চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন সেতুর কাজ শুরু হলেও ধীরগতির কারণে সময়মতো শেষ হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।’

 

এলাকাবাসী মিলন মিয়া ও তোফাজ্জল জানান, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় তারা কৃষিকাজসহ দৈনন্দিন চলাচলে মারাত্মক অসুবিধায় পড়েছেন। তারা অভিযোগ করেন, নির্মাণকাজ শুরু হলেও ধীরগতির কারণে আগামী বর্ষাতেও তাদের দুর্ভোগে পড়তে হবে।

 

আরও পড়ুন: পাওনা টাকা দেবে বলে ডেকে নিয়ে চোর অপবাদে পিটিয়ে জখম

 

জামালপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল ত্রিপুরা জানান, ‘জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে এখন অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে, ইতোমধ্যে ২০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পটি সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি।’

 

২৮০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ কোটি টাকা। কাজটি বাস্তবায়ন করছে মেসার্স চৌধুরী কনস্ট্রাকশন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন