জমিয়তকে ছেড়ে দেয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্রভাবে লড়বেন রুমিন

৩ সপ্তাহ আগে
শরিকদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসন থেকে বিএনপির টিকিট পাচ্ছেন না দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে ছেড়ে দেয়ার তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  

 

আসনটি থেকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন।

 

এদিকে শরিকদের আসনটি ছেড়ে দেয়ার ঘোষণার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রুমিন ফারহানা। স্বতন্ত্রভাবে ওই আসন থেকে নির্বাচনের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।

 

রুমিন ফারহানার পিএস জাকির হোসেন বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন থেকে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে জয়ের জন্য স্থানীয় ভোটারদের সহায়তাও চান তিনি।

 

আরও পড়ুন: জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ৪ আসন ছাড়ল বিএনপি

 

দলীয় সূত্রমতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির প্রার্থীরা ৬ বার নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিবারই বিজয়ী হয়েছেন। এ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান রুমিন ফারহানা। তার বাড়ি বিজয়নগর উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে। বর্তমানে তিনি সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা।



গত সরকারের আমলে গঠিত বিজয়নগর উপজেলাটি একসময় ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার অধীন। তখন এলাকাটি ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-সদরের একাংশ) আসনের অন্তর্গত। বতর্মানে পুরো বিজয়নগর উপজেলাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত।



১৯৭৩ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে রুমিন ফারহানার বাবা অলি আহাদ নৌকার প্রার্থী তাহের উদ্দিন ঠাকুরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তখন তাহের উদ্দিন ঠাকুর নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

আরও পড়ুন: দিপু চন্দ্র ও শিশু আয়েশাকে পুড়িয়ে হত্যার তীব্র নিন্দা হেফাজতে ইসলামের

 

বিএনপির আরও দুই নেতা হচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী



ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ থেকে রুমিন ফারহানা ছাড়াও বিএনপির আরও দুই নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য এস এন তরুণ দে ও জেলা বিএনপির সদস্য আক্তার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন।

 

আরও প্রার্থী যারা

 

সংসদ নির্বাচনে একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতের জেলা আমির মোবারক হোসাইন (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আশরাফ মাহদী (শাপলা কলি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা নেসার আহমেদ নাসির (হাত পাখা) ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এনডিএফ) থেকে লড়ছেন জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন