জনস্বাস্থ্য শিক্ষা বিষয়ে ৯৫.৯ স্কোর নিয়ে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অফ পাবলিক হেলথ এই র্যাংকিংয়ের ৩০১-৪০০তম অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে। এই অর্জনের মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে— বিশ্ববিদ্যালয়টির বিশ্বমানের পাঠদান, শক্তিশালী গবেষণা কার্যক্রম এবং বিশ্বের অনেকগুলো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
এই র্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ছাড়াও জায়গা পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৪০১–৫০০তম অবস্থানে রয়েছে।
সাংহাই র্যাংকিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ৯টি সূচকের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়। সূচকগুলো হলো— বিশ্বমানের শিক্ষক, বিশ্বমানের গবেষণা, গবেষণার গুণগত মান, গবেষণার প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশন।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অফ পাবলিক হেলথ দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, নারী ও প্রজনন স্বাস্থ্য, জলবায়ু ও স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা এবং নীতিনির্ভর জনস্বাস্থ্য বিষয়ে গবেষণা করে আসছে। এসব গবেষণা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিভিন্ন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশেও পরিচালিত হচ্ছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা ও মাঠপর্যায়ের গবেষণার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত। বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য সমস্যাগুলোকে কীভাবে বৈশ্বিক গবেষণা ও নীতিনির্ধারণের জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়— সে কাজটাই ধারাবাহিকভাবে করে যাচ্ছে ব্র্যাক জেপিজিএসপিএইচ।
আরও পড়ুন: ইউজিসির স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষা বৃহস্পতিবার
ব্র্যাক জেপিজিএসপিএইচের ডেপুটি ডিন প্রফেসর মলয় কান্তি মৃধা বলেন, “বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য বিষয়ে শীর্ষ অবস্থান এবং বিশ্বে শীর্ষ ৪০০-তে জায়গা পাওয়ায় অত্যন্ত গর্বিত। এই সফলতা আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ পার্টনারদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। আমরা জনস্বাস্থ্য শিক্ষার উন্নয়নে অক্লান্ত কাজ করছি।”
তিনি আরও বলেন, “এই সফলতা জনস্বাস্থ্য বিষয়ে নেতৃত্ব তৈরি এবং প্রমাণভিত্তিক সমাধান উদ্ভাবনে আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করেছে।”
ব্র্যাক জেপিজিএসপিএইচের প্রতিষ্ঠাতা ডিন এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের সদস্য প্রফেসর মোশতাক চৌধুরী বলেন, “এই অর্জন আমাদের বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা ও আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য গবেষণার স্বীকৃতি।

৩ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·