জকসুর ভোট গণনা স্থগিত

১ সপ্তাহে আগে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

কারিগরি ত্রুটির কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত ৯টা ২০ মিনিটে ভোট গণনা স্থগিত করেন নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান।

 

তিনি বলেন, ‘প্রথম থেকেই আমরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছি। ভোটের গণনায় হান্ড্রেড পার্সেন্ট স্বচ্ছতা এবং এটা নিশ্চিত করার জন্য আমরা দুটি মেশিন এখানে নিয়ে এসেছি। দুটি কোম্পানির।’

 

আনিসুর রহমান আরও বলেন, ‘টেকনিক্যাল কারণে ভোট গণনা আমরা এখন বন্ধ করেছি। এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমাদের যারা ভিপি ক্যান্ডিডেট রয়েছেন এবং জিএস ক্যান্ডিডেট রয়েছেন, উভয় প্যানেল এবং স্বতন্ত্র ভিপি ও জিএস ক্যান্ডিডেট, আপনাদের সঙ্গে আমরা বসব। আপনারা দয়া করে আমাদের সঙ্গে একটু শিক্ষক সমিতির লাউঞ্জে বসবেন। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

 

পরে প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার জায়গাটিকে সংশোধন করে উপাচার্যের কনফারেন্স রুমের কথা বলেন তিনি।

 

এদিন সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকেল ৩টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হলেও লাইনে থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। পরে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্স কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আনা হয়।

 

সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভোট গণনা শুরু হলেও প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর টেকনিক্যাল কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়।

 

আরও পড়ুন: জকসু নির্বাচনের পরিবেশে শিক্ষক সমিতির সন্তোষ, ‘ব্লেমিং-শেমিং’-এর নিন্দা

 

নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, এবারের নির্বাচনে হল সংসদে ৭৫ শতাংশ এবং কেন্দ্রীয় সংসদে ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোট গণনার ক্ষেত্রে ৬টি ওএমআর মেশিন ব্যবহারের তথ্য জানিয়েছে কমিশন।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সংসদের জন্য ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

 

নির্বাচনে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। এতে মোট চারটি প্যানেলে প্রার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। সেগুলো হলো ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’, ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’, বাম জোট–সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি–সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’।

 

এ ছাড়া স্বতন্ত্রভাবেও নির্বাচনে বেশ কয়েকজন প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে ভিপি পদে লড়ছেন ১২ জন, জিএস পদে ৯ জন আর এজিএস পদে লড়ছেন ৮ জন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন