শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিয়ে এই কথা বলেন তিনি।
তাহের বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামে আমার জন্ম। এখানে এমন অনেক মনীষীর জন্ম হয়েছে যাদের নাম বললেই মানুষ চিনে। ২০০১ সালে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে দুটো কাজকে প্রাধান্য দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, ওয়াদা দিয়েছিলাম- নির্বাচিত হলে চৌদ্দগ্রামে আর কোনো রক্ত ঝরবে না। আমি চেষ্টা করেছিলাম সেই কথা রক্ষার জন্যে। আমার সময় কোনো রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘বলেছিলাম এখানে রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে কোনো দ্বন্দ্ব থাকবে না, আমার সময় সেটা আমি থামিয়ে দিয়েছিলাম। ওয়াদা করেছিলাম এখানে সব দলের সহাবস্থান থাকবে, সেটা বিরাজমান রেখেছিলাম সে সময়। বড় বড় প্রজেক্টগুলো করার চেষ্টা করেছিলাম।’
চব্বিশের পট পরিবর্তেনের পর জেলখানায় বসে চৌদ্দগ্রামেই প্রথম ফোন দিয়েছিলেন জানিয়ে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘আমি জানি এর আগের আমলে যেভাবে হত্যাকাণ্ড হয়েছিল, বাড়িঘর আগুন দেয়া হয়েছিল, তমেনি পট পরিবর্তনের পর মানুষ প্রতিহিংসাপরায়ণ হতে পারে। এজন্য প্রথম ফোন করে নেতাদের বলেছি- চৌদ্দগ্রামের আকাশে আমি কোন ধোঁয়া দেখতে চাই না। কোনো প্রতিশোধ নেয়া যাবে না, কোনো হামলা করা যাবে না, কোনো আগুন দেয়া যাবে না, কোনো উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করা যাবে না। ফলে প্রতিশোধ চৌদ্দগ্রামে নেয়া হয়নি।’
আরও পড়ুন: যাদের কারণে দেশে ফেরা, সেই জুলাই যোদ্ধাদেরই অস্বীকার করা হচ্ছে: জামায়াত আমির
চৌদ্দগ্রামকে কোনো দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেকোনো দল করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু মানুষ হিসেবে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব। জনসভায় যারা রয়েছেন, তারা সবাই জামায়াতে ইসলামী করেন না। এখানে অনেকে আছেন যারা বিএনপি করেন। এখানে অনেকে আছেন যারা অন্য দল করেন। কিন্তু সবাই আমার স্টেজে রয়েছে কারণ তারা সকলে আমার ভাই। আর আমি তাদের সবার তাহের ভাই।’
এখানকার সংসদ সদস্য কোনো দলের প্রতিনিধি নন উল্লেখ করে তাহের বলেন, ‘আপনি দল করেন, কিন্তু সংসদ সদস্য হিসেবে ভোট দিতে হবে তাকেই যিনি সমগ্র মানুষের কল্যাণ করতে পারবেন। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে আমি এখানকার মানুষের কল্যাণ করতে সক্ষম হব।’
]]>
৬ ঘন্টা আগে
১







Bengali (BD) ·
English (US) ·