বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিবহনের ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন আক্ষেপ করে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বাসটি উদ্ধারের জন্য বিআইডব্লিউটিএ ও বিআইডব্লিউটিসি এবং ফায়ার সার্ভিসকে জানিয়েছি। এরপর সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি থেকে দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
ঘাট তত্ত্বাবধায়ক মো. মনির হোসেন বলেন, ‘বিকেল ৫টার কিছু পর সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি দৌলতদিয়ার তিন নম্বর ঘাটে আসে। এ সময় ঘাটে থাকা একটি ফেরি যানবাহন নিয়ে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। অল্পের জন্য তাতে উঠতে না পারায় অপর ফেরির জন্য বাসটি অপেক্ষা করছিল। ফেরির ধাক্কায় নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বাসটি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
আরও পড়ুন: ডুবে যাওয়া বাস থেকে ২ নারীর মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ জানান, দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ১১ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, গোয়ালন্দ ফায়ার স্টেশনের একটি ইউনিট এবং আরিচা ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি দল উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও দুটি ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘একলা রাইখা চইলা গেলা, আমি এখন কী করমু’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ অনেক দেরিতে এসেছে পৌঁছেছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দলও এক ঘণ্টার বেশি সময় পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
সৌহার্দ্য বাসে থাকা আবদুল আজিজুল নামে এক যাত্রী জানান, তিনি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে এই বাসটিতে উঠেছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।
বাসটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছিল। খুবই অল্প সংখ্যক যাত্রী সাঁতরে উপরে উঠতে পেরেছেন বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।
এর আগে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় সৌহার্দ্য পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটি উল্টে নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে ৪০ জনের বেশি যাত্রী ছিল বলে জানিয়েছেন একাধিক যাত্রী।

৪ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·