পরদিন সকালে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের খোদ্দ বিলাইচণ্ডী এলাকায়, ডালিয়া সেচ ক্যানেলের পাড়ে পড়ে থাকা এক গলাকাটা মরদেহ ঘিরে জড়ো হন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান পরিবারের সদস্যরা। কাছাকাছি যেতেই পরিচিত পোশাক আর মুখ দেখে ভেঙে পড়ে পরিবার। তারা আবিষ্কার করেন, মরদেহটি জাবেদ আলীর (৫৫)।
নিহত জাবেদ আলী পেশায় মাছ ও পাখি শিকার করতেন। তার বাড়ি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার পীরপাড়া গ্রামে। ঘটনাস্থল থেকে বাড়ির দূরত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। পরিবারের সদস্যদরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এই কাজ করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন এবং কারও সঙ্গে তার কোনো শত্রুতা ছিল না।
নিহতের স্ত্রী উম্মে কুলসুম বলেন, “রাত ১২টার দিকে উনি চা–মুড়ি খাচ্ছিলেন। তখন একটা ফোন আসে। এরপর বেরিয়ে যান। সারা রাত বাড়ি ফেরেননি। মনে করছিলাম পাখি শিকারে গেছে। সকালে শুনি গলাকেটে মেরে ফেলছে। আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিল না। আমি এর বিচার চাই।”
আরও পড়ুন: গাজীপুরে জাসাস নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা
খবর পেয়ে প্রথমে সৈয়দপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে তারাগঞ্জ থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “রহস্যজনক ফোনকলসহ সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।”

৩ সপ্তাহ আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·