চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইরানে হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

১৮ ঘন্টা আগে

ইরানে সামরিক হামলা চালানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুতি নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। সব ঠিক থাকলে চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ এ হামলা হতে পারে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত বিভিন্ন সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্রমতে, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক বিমান ও নৌবাহিনী মোতায়েন করেছে পেন্টাগন। হোয়াইট হাউসকে জানানো হয়েছে, সামরিক বাহিনী যেকোনো মুহূর্তে অভিযানের জন্য প্রস্তুত। এমনকি মার্কিন নৌবাহিনীর সবচেয়ে শক্তিশালী রণতরি ‘ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড’ এ সপ্তাহান্তেই পারস্য উপকূলে পৌঁছাতে পারে।

পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে থাকা মার্কিন যুদ্ধবিমান ও রিফুয়েলিং ট্যাংকারগুলোকেও মধ্যপ্রাচ্যের কাছাকাছি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির স্যাটেলাইট ছবিতে দেখা গেছে, ইরান তাদের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো কংক্রিট ও মাটি দিয়ে ঢেকে সুরক্ষিত করার চেষ্টা করছে।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হামলার পক্ষে-বিপক্ষে নানা যুক্তি দিচ্ছেন। গতকাল বুধবার হোয়াইট হাউসের ‘সিচুয়েশন রুমে’ জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন তিনি।

এর আগে জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ইরানের সঙ্গে হওয়া পরোক্ষ আলোচনার বিষয়ে তাঁকে ব্রিফ করেন। জেনেভায় দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হলেও কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান আসেনি।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, কূটনীতিই ট্রাম্পের প্রথম পছন্দ। তবে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে।

হামলার সময় নির্ধারণে বেশ কিছু আন্তর্জাতিক বিষয় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী রোববার শীতকালীন অলিম্পিক শেষ হচ্ছে। এর আগে কোনো হামলা না হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন ইউরোপীয় কর্মকর্তারা।

এ ছাড়া গতকাল থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধুদেশগুলো রমজানের সময় হামলার বিরোধিতা করছে। এ ছাড়া আগামী মঙ্গলবার ট্রাম্পের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ রয়েছে। ট্রাম্প এই বিষয়গুলোকে হামলার ক্ষেত্রে বিবেচনায় নিচ্ছেন কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

সম্পূর্ণ পড়ুন