চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিপজ্জনক বাঁক, এতো মৃত্যুর দায় নেবে কে?

২০ ঘন্টা আগে
কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রয়েছে বিপজ্জনক বাঁক। বাঁকে নেই দিকচিহ্ন-সংবলিত সাইনবোর্ড কিংবা ফলক। মহাসড়কের দুপাশে রয়েছে ঘন জঙ্গল। এতে দূর থেকে বাঁক চোখে পড়ে না। তাই মহাসড়কটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। মহাসড়কটিতে প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ঝরছে প্রাণ।

পুলিশ বলছে, একাধিক কারণে এ মহাসড়কে ঘটছে দুর্ঘটনা। তবে দুর্ঘটনা কমাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায়; একই স্থানে পরপর ৩ দিনে ঘটেছে ৩টি দুর্ঘটনা। এতে ১৭ জন নিহতসহ আহত হয়েছে অন্তত ২৭ জন। মহাসড়কের এই অংশে রয়েছে বিপজ্জনক বাঁক।


আরও পড়ুন: ঈদে কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়াই কাল হলো দম্পতির


এখানেই শেষ নয়। অনুমোদন না থাকলেও মহাসড়কে চলাচল করে অনেক ফিটনেসবিহীন যান ও নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোয় দিকচিহ্ন-সংবলিত ফলক না থাকা, সড়কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ও অবৈধ যানের বেপরোয়া চলাচল, সড়কের ওপর ও পাশে অবৈধ হাটবাজার, বেপরোয়া গতি এবং লবণ পরিবহনের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল থাকে। এছাড়া মহাসড়কে রয়েছে বড়বড় খাদ। যার কারণে একের পর এক ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে প্রাণ।


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি গত ২০ বছরেও প্রশস্ত করা হয়নি। দুর্ঘটনা কমাতে চারলেনে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প নেই বলে মনে করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।


আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে নিহত ১০


এ দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি প্রশস্ত করার একটি প্রকল্প রয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আব্দুল আল নোমান পারভেজ।


তিনি বলেন, ‘এর কাজ এ বছরের সেপ্টেম্বরের দিকে শেষ হবে। এ ব্যপারে মিটিংও হয়ে গেছে। এরপর স্টাডি সম্পন্ন হলে, বাকিটা সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী এক-দেড় বছরের মধ্যে ছয় লেনের কাজ শুরু হবে।’


চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বের এই মহাসড়কে প্রতিদিনই চলাচল করছে ২০ হাজারের বেশি যানবাহন।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন