পুলিশ বলছে, একাধিক কারণে এ মহাসড়কে ঘটছে দুর্ঘটনা। তবে দুর্ঘটনা কমাতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায়; একই স্থানে পরপর ৩ দিনে ঘটেছে ৩টি দুর্ঘটনা। এতে ১৭ জন নিহতসহ আহত হয়েছে অন্তত ২৭ জন। মহাসড়কের এই অংশে রয়েছে বিপজ্জনক বাঁক।
আরও পড়ুন: ঈদে কক্সবাজারে বেড়াতে যাওয়াই কাল হলো দম্পতির
এখানেই শেষ নয়। অনুমোদন না থাকলেও মহাসড়কে চলাচল করে অনেক ফিটনেসবিহীন যান ও নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোয় দিকচিহ্ন-সংবলিত ফলক না থাকা, সড়কে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ও অবৈধ যানের বেপরোয়া চলাচল, সড়কের ওপর ও পাশে অবৈধ হাটবাজার, বেপরোয়া গতি এবং লবণ পরিবহনের কারণে রাস্তা পিচ্ছিল থাকে। এছাড়া মহাসড়কে রয়েছে বড়বড় খাদ। যার কারণে একের পর এক ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে প্রাণ।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি গত ২০ বছরেও প্রশস্ত করা হয়নি। দুর্ঘটনা কমাতে চারলেনে উন্নীত করা ছাড়া বিকল্প নেই বলে মনে করছেন পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে বাস-মাইক্রো সংঘর্ষে নিহত ১০
এ দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কটি প্রশস্ত করার একটি প্রকল্প রয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আব্দুল আল নোমান পারভেজ।
তিনি বলেন, ‘এর কাজ এ বছরের সেপ্টেম্বরের দিকে শেষ হবে। এ ব্যপারে মিটিংও হয়ে গেছে। এরপর স্টাডি সম্পন্ন হলে, বাকিটা সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী এক-দেড় বছরের মধ্যে ছয় লেনের কাজ শুরু হবে।’
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বের এই মহাসড়কে প্রতিদিনই চলাচল করছে ২০ হাজারের বেশি যানবাহন।