সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, ইসরাইলের সঙ্গে সম্ভাব্য বড় ধরনের আলোচনার আগে ধাপে ধাপে এগোতে চায় সিরিয়া। এর অংশ হিসেবে তারা এমন একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তি করতে চায়, যাতে ইসরাইল ১৯৭৪ সালের সীমান্তে ফিরে যায়।
আজ শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) তুরস্কে আয়োজিত আনতালিয়া ডিপলোমেসি ফোরামে এক আলোচনায় তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালের ডিসএনগেজমেন্ট চুক্তি দীর্ঘদিন কার্যকর ছিল। কিন্তু পরে ইসরাইলের বিভিন্ন লঙ্ঘনের কারণে তা দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।
আল-শারা বলেন, ‘আমরা এখন আলোচনার প্রথম ধাপে আছি। এখানে লক্ষ্য হলো এমন একটি নিরাপত্তা চুক্তি করা, যা ইসরাইলকে ১৯৭৪ সালের সীমান্তে ফিরে যেতে বাধ্য করবে এবং নতুন নিয়ম তৈরি করবে—যাতে পুরনো চুক্তি মেনে চলা বা সেটিকে সংশোধন করে দুই পক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।’
আরও পড়ুন: আল জাজিরার প্রতিবেদন / ইসরাইল-সিরিয়ার মধ্যে শান্তি চুক্তি হতে পারে
ইসরাইল ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরাইল যুদ্ধে এই মালভূমির বেশিরভাগ অংশ দখল করে এবং পরে সেটি নিজেদের ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করে নেয়। তবে এই দখল আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নয়। উল্টো বিশ্বের ১৩৪টি দেশে ওই মালভূমির ওপর সিরিয়ার অধিকার স্বীকৃতি দিয়েছে।
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বারবার বলছেন, ইসরাইল গোলান মালভূমির যে অংশ দখল করেছে, তা সিরিয়াকে ফেরত দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।
তবে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দখলকৃত গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের দাবি তিনি কোনোভাবেই স্বীকৃতি দেবেন না। কোনো দেশ স্বীকৃতি দিলেও তা তিনি মানবেন না। তিনি বলেন, ‘গোলান মালভূমির ওপর ইসরাইলের দাবিকে স্বীকৃতি দেয়া অবৈধ। এটি সিরিয়ার জনগণের অধিকার, কোনো সরকারের নয়।’
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·