এর মধ্যে ঋণ খেলাপী ও এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরে অসংগতি থাকায় গোপালগঞ্জ ১ আসন থেকে ৪ জন, গোপালগঞ্জ ২ আসন থেকে ৬ জন এবং গোপালগঞ্জ ৩ আসন থেকে ২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ও ২ জনের মনোনয়ন স্থাগিত ঘোষণা করা হয়।
যাচাই-বাছাই শেষে শনিবার বিকেলে (৩ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. আরিফ উজ্জামান এ ঘোষণা দেন।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে (মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ) মনোনয়ন জমা পড়ে ১৩টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমুল আলম, আশ্রাফুল আলম এবং এবি পার্টির মো. প্রিন্স আল আমিন ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী (জিওপি) মো. কাবির মিয়া মনোনয়ন।
সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশা নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ ২ আসনে মনোনয়ন জমা পড়ে ১৩টি। এর মধ্যে বাতিল করা হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুল, রনী মোল্যা, সিপন ভূঁইয়া, মশিউর রহমান, মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও উৎপল বিশ্বাসের মনোনয়ন।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জে ভোটযুদ্ধে স্বামী-স্ত্রী: আলোচনায় জিলানী ও রওশন আরা
টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলা নিয়ে গঠিত গোপালগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়ন জমা পড়ে ১২টি। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামানিক ও রওশন আরার মনোনয়ন। স্থগতি করা হয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল আজিজ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী দুলাল চন্দ্র বিশ্বাসের মনোনয়ন।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা আগামী ১১ জানুয়ারী তারিখের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপীল করতে পারবেন। এছাড়াও ২০ জানুয়ারী মনোনয়ন প্রত্যাহারে শেষ তারিখ এবং ২১ জানুয়ারী প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ১২ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·