ইসির নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৬০টি। এর মধ্যে ৮টি দল নির্বাচনে কোন প্রার্থী দেয়নি। আর চূড়ান্তভাবে বাতিল না হলেও স্থগিত আছে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন। অর্থাৎ এই দলটির নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ নেই।
৫১টি দলের ২০৫১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে। এসব দলের মধ্যে ৩৭টি দল ২০২৫ সালের গণঅভুত্থ্যানের আগেই নিবন্ধিত। আর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে নিবন্ধন পেয়েছে ১৪টি রাজনৈতিক দল।
সবচেয়ে বেশি ২৯৩টি আসনে দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রার্থীরা। জামায়াত দিয়েছে ২৭৬ আসনে। আর ২৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
মাত্র পাঁচটি দল ১০০ আসনের উপর প্রার্থী দিয়েছেন।
৩০০ আসনের মধ্যে একটি করে আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে গণতন্ত্রী পার্টি, সমঅধিকার পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাপ।
আর দশটির কম আসনে প্রার্থী দিতে পেরেছে ২০টি রাজনৈতিক দল।
আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে জনগণের শঙ্কা দূর করার দায়িত্ব সরকার ও ইসির: দেবপ্রিয়
বিশ্লেষকরা বলছেন, নিবন্ধন পরবর্তী সময়েও দলগুলোকে পর্যবেক্ষণে রাখা উচিত।
সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা জেসমিন টুলি বলেন, যদি রাজনৈতিক কার্যক্রমই না থাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য তারা এটলিস্ট চার ভাগের একভাগ আসনেও যদি তারা না দিতে পারে। নিবন্ধন টিকিয়ে রাখতে হলে তাদের মাঠ পর্যায়ে কাজ করতে হবে। কমিশনের প্রতিনিয়ত তাদের মনিটর করা উচিত। শর্ত পূরণ না করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বাতিল করতে পারে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষক মুনিরা খান বলেন, কত পার্সেন্ট ভোট একটা রাজনৈতিক দল পেয়েছে, সেটা দেখে ডিরেজিস্ট্রেশন করার পদ্ধতি থাকলে ভালো।
অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে নিবন্ধিত ১৪টি দলের মধ্যে ১০৪টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে গণ অধিকার পরিষদ। ৫৩ আসনে প্রার্থী দিয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এবি পার্টি। ৪৪টি আসনে প্রার্থী দিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জনগণের আকাঙ্খা পূরণ করতে পারেনি দলগুলো।
মুনিরা খান বলেন, একটা সরকারকে সরিয়ে আরেকটি সরকার আসা- এগুলো ছক বাঁধা জায়গায় চলে না। একটা ইস্যুতে কাজ করে এসে সেই ইস্যুর বরাতে বিপ্লব তৈরি করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান অধ্যাপক সাব্বির আহমেদ বলেন, কে কি কাজ করেছে আমরা জানি না। নতুন রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করার মধ্য দিয়ে তারা যে ধরনের অৗনতিক রাজনীতির সূচনা করেছে এতে তাদের প্রতি মানুষ আস্থা নেই।
এবার কোনো কোনো দলের সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদক নিজের দল ছেড়ে অন্য দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করাকে রাজনৈতিক দুর্বলতা বলে মনে করছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক মুনিরা খান। তিনি বলেন, এখানে আদর্শের ভিত্তিতে কাজ চলে না।

৩ ঘন্টা আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·