খেলা আর রাজনীতিকে পুরোপুরি আলাদা করা যায় না: রোডস

২ সপ্তাহ আগে
‘খেলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাবেন না’–এমন অনুরোধ প্রায়ই শোনা যায়, তাতে কি আর খেলা থেকে রাজনীতি নিজেকে দূরে রাখে! আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের ছিটকে পড়ার দিকেই তাকানো যাক। ভারতের মাটিতে নিরাপত্তা উদ্বেগ থাকায় বাংলাদেশ নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় খেলার আবেদন জানালেও আইসিসির তাতে থোড়াই কেয়ার। প্রথমবারের মতো তাই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে না টাইগারদের।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ক্রিকেটার জন্টি রোডস আক্ষেপের সঙ্গে জানিয়েছেন, খেলাধুলাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা সবসময়ই করা হয়, কিন্তু তা সব সময় সফল হয় না। বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।


শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রোডস বলেন, 'আমরা সবসময়ই ভাবি—খেলাধুলাকে রাজনীতি থেকে আলাদা রাখা উচিত। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, খেলাধুলা আর রাজনীতিকে পুরোপুরি আলাদা করা যায় না।'


শ্বেতাঙ্গ বর্ণবাদী শাসকদের জন্য এক সময় দীর্ঘকাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটির রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তনে এই নিষেধাজ্ঞারও একটা ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন রোডস।

 

আরও পড়ুন: সিডনিকে উড়িয়ে ষষ্ঠ বিগ ব্যাশ শিরোপা ঘরে তুললো পার্থ


ভারতে গিয়ে না খেলার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় আইসিসি শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপে তাদের স্থলাভিষিক্ত হবে। বিতর্ক পাশে সরিয়ে রেখে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন রোডস। তিনি ২০ দল নিয়ে আয়োজিত টুর্নামেন্টকে 'দারুণ' বলে আখ্যা দেন।


রোডস বলেন, ‘এখন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০টি দল খেলছে—আমি মনে করি আইসিসি দারুণ কাজ করছে। আমি বছরের প্রায় পাঁচ মাস ভারতে থাকি, তাই এই বিশ্বকাপ আমার ‘ঘরের মাঠে’ হওয়ায় আমি খুবই রোমাঞ্চিত। কে জিতবে বা কারা সেমিফাইনালে উঠবে—তা বলা খুব কঠিন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মাত্র ১০ মিনিটে একজন খেলোয়াড় পুরো ম্যাচের চিত্র বদলে দিতে পারে।’


উল্লেখ্য, আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ *৭ ফেব্রুয়ারি* শুরু হবে এবং *ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে* টুর্নামেন্টটি আয়োজন করবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন