নিহত তামিম ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কালামবুল্যাহ গ্রামের বালু শ্রমিক মো. রফিকের ছেলে। সে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে দাদা মো. শফিক মাঝির সাথে ধান ভাঙানোর উদ্দেশ্যে জনতা বাজারে আসে তামিম। দাদা যখন ধান ভাঙানোর কলঘরে ব্যস্ত ছিলেন, তখন তামিম বাজারের পাশেই পূর্ব চতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে চলে যায়। স্কুলের পেছনে একটি সুপারি গাছ ও রেইন্ট্রি গাছের সাথে একটি দড়ি ঝুলতে দেখে সেটিকে দোলনা মনে করে খেলতে শুরু করে তামিম। খেলার একপর্যায়ে দড়িটি তার গলায় পেঁচিয়ে ফাঁস লেগে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দীর্ঘক্ষণ নাতনিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তামিমকে দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এরশাদ উকিল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
আরও পড়ুন: মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে টেকনাফে শিশু আহত
ইনচার্জ এরশাদ উকিল জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খেলাচ্ছলে অসতর্কতাবশত দড়িতে শিশুটির ফাঁস লেগেছে। তার শরীরে অন্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর লালমোহন সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সত্যজিৎ কুমার ঘোষ ও লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তামিমের বাবা রফিক নোয়াখালীতে বালু শ্রমিক হিসেবে কর্মরত। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পরিবারে এখন চলছে শোকের মাতম। দাদা শফিক মাঝি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। বাজারের পাশে দাদাকে রেখে নাতনির এমন অকাল মৃত্যুতে জনতা বাজার ও কালামবুল্যাহ গ্রাম এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

৪ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·