সপ্তাহজুড়ে তীব্র লোডশেডিং আর অসহনীয় গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে খুলনাবাসীর। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে দিনের বেশিরভাগ সময়। শহর এলাকায় গড়ে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। প্রচণ্ড গরমে বিভাগের বিভিন্ন জেলার ফসলের মাঠ ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সেচ দিতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন কৃষকরা।
একই ভোগান্তির চিত্র দেখা গেছে কলকারখানাসহ রফতানি আয়ের অন্যতম খাত চিংড়ি প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পেও। লোডশেডিংয়ের কারণে এসব খাতের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় প্রচণ্ড ব্যাঘাত ঘটার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে রাত কাটাতে হচ্ছে নির্ঘুম। দফায় দফায় এমন লোডশেডিংয়ে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
আরও পড়ুন: খুলনাঞ্চলের ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৬টিই বন্ধ
বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থাগুলো বলছে, জ্বালানি সংকটের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই তাদের লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
জানা গেছে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় বর্তমানে গড়ে ২ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বিভাগের মোট ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে জ্বালানি সংকটের কারণে বর্তমানে ৬টি কেন্দ্রই পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এতে করে সার্বিক বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·