ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে ক্রীড়াঙ্গণের বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ। ঢাক ঢোল বাজিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানালো ক্রীড়াঙ্গণ। ২০ বছর পর উৎসব মুখর পরিবেশে নববর্ষ উৎযাপনেও ছিলো বেশ ভিন্নতা। ক্রিকেট, ফুটবল, হকি ছাপিয়ে বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবে প্রাধান্য পেয়েছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের গ্রামীন খেলা।
লাঠি খেলা, বলি, মোরগ লড়াই, বৌ চি, কানামাছির মতো খেলা ছিলো অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। গ্রাম বাংলার হারিয়ে যাওয়া এসব খেলা উপভোগ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। পাশাপাশি আর্চারি, খো খো, হ্যান্ডবলের মতো খেলাও আয়োজন করা হয় এই উৎসবে।
আরও পড়ুন: ভুটানের ক্লাবে যোগ দিলেন তারিক কাজী
বাঙালির লোকজ ঐতিহ্য ও গ্রামীন খেলাধুলাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার কথা জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। সেই আঙ্গে আগামী পহেলা বৈশাখ থেকে সারা দেশে সরাকারি উদ্যোগে গ্রামীন খেলা আয়োজনের প্রতিশ্রুতি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
‘আজকে হয়তো বা আমরা এইখানে পল্টন ময়দানে এটি উদযাপন করছি। আল্লাহ যদি বাঁচিয়ে রাখে ইনশাল্লাহ... আমাদের স্পোর্টস মিনিস্ট্রি থেকে এবং যারা এই সুন্দর আয়োজনটি করেছেন তাদের সহযোগীতা নিয়ে আমরা সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় আগামী বৈশাখে ইনশাল্লাহ এই ধরনের গ্রামীণ খেলাধুলা উদযাপন করবো। গ্রামীণ যে খেলাধুলা রয়েছে সেগুলো নিয়েও আমাদের বেশকিছু পরিকল্পনা রয়েছে।’
আরও পড়ুন: মোটরস্পোর্টসে আলো ছড়াচ্ছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ভাই
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের রয়েছে নিজস্ব কিছু লোকজ খেলা। তবে তথ্য প্রযুক্তি ও মোবাইলে গেমসের প্রভাবে সেসব খেলাধুলা আজ অস্তিত্ব সংকটে। পৃষ্ঠপোষক না পাওয়ায় হারিয়ে গেছে অনেক খেলা সেসব খেলাধুলাকে পুনরজীবিত করতেই বৈশাখী ক্রীড়া উৎসবের আয়োজন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে ক্রীড়া উৎসবে খেলাধুলার পাশাপাশি ছিলো বৈশাখ উদযাপন। পান্তা ইলিশের সঙ্গে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠাও উপভোগ করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·