সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
বিবৃতিতে বলে হয়, রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়েই কৃষ্ণ সাগরে সামরিক হামলা বন্ধ, সেনা প্রত্যাহার এবং নিরাপদ জাহাজ চলাচলের ব্যাপারে একমত হয়েছে। পাশাপাশি, বাণিজ্যিক জাহাজকে সামরিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হবে না বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাশিয়া ও ইউক্রেন দুই দেশই যুদ্ধবন্দি বিনিময়ে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এই বন্দিদের মধ্যে আটক বেসামরিক নাগরিকদের পাশাপাশি জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া ইউক্রেইনীয় শিশুদের মুক্তি দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া আলোচনা ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে: ক্রেমলিন
হোয়াইট হাউস আরও জানিয়েছে, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার ওপর নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের পথ বের করতে একমত হয়েছে ইউক্রেইন এবং ওয়াশিংটন।
দীর্ঘমেয়াটি ও স্থায়ী শান্তির জন্য কাজ করে যেতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেন একমত হয়েছে। একইসঙ্গে সমুদ্র ও জ্বালনি বিষয়ক চুক্তি বাস্তাবয়নে তৃতীয় কোনো দেশের সমর্থনকে স্বাগত জানাতেও একমত হয়েছে তারা।
সোমবার সৌদি আরবের রিয়াদে আলোচনায় বসেন রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। বৈঠকে রাশিয়ার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত ফেডারেশন কাউন্সিল কমিটির প্রধান গ্রিগোরি কারাসিন রুশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।
আরও পড়ুন: রিয়াদে ইউক্রেন-যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যুদ্ধ বন্ধের আশা
তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম তাসকে বলেন, আমরা মোটামুটি সব কিছু নিয়েই কথা বলেছি। বিস্তৃত ও গভীর আলোচনা হয়েছে। যা আমাদের ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গঠনমূলক।
সোমবার দিনব্যাপী এই আলোচনাকে ওয়াশিংটন তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধ শেষ করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টার একটি পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে।
]]>