কুয়েতে কারাভোগ শেষে দেশে ফিরে বিমানবন্দরেই প্রবাসীর মৃত্যু

১৭ ঘন্টা আগে
জীবিকার সন্ধানে নুরুল ইসলাম সাগর গিয়েছিলেন পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত আরব দেশ কুয়েতে। বৈধ কোনো কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে সে দেশের পুলিশ তাকে আটক করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। ১৫ দিন কারাভোগের পর সাগরকে সে দেশের পুলিশ শনিবার বাংলাদেশগামী একটি বিমানে তুলে দেয়। তবে শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর রাত ২টার দিকে হৃদরোগে মারা যান সাগর।

সাগর ফেনীর পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ শালধর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে।


জানা যায়, রাত ১টার দিকে বিমানবন্দরে বুকে ব্যথা অনুভব করেন প্রবাসী সাগর। বিমানবন্দরের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। রাত ২টার দিকে হৃদযন্ত্র ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান।


সাগরের ছোট বোন শেফালী আক্তার আরজু জানান, আমার ভাই মানসিক দুশ্চিন্তা থেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ভাই বাড়িতে আসলে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই তিনি চাপে ছিলেন। এ আশঙ্কা থেকে হার্টঅ্যাটাক করেন।


আরও পড়ুন: মধ্যরাতে বাড়িতে পুলিশ, আতঙ্কে প্রাণ গেল সৌদি প্রবাসীর


সাগরের বাবা শাজাহান জানান, রাতেই পরশুরাম থানার পুলিশ সদস্যরা বাড়িতে আসেন। তারা আমার ছেলে ঢাকা বিমানবন্দরে মারা গেছে বলে জানায়। মরদেহ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। এরপর রাতে দুই প্রতিবেশীকে নিয়ে সাগরের মরদেহ আনতে ঢাকার পথে রওনা দেই।


এ বিষয়ে পরশুরাম মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘রাতে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পুলিশ কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিলে রাতেই তিনি মারা যান। তার সঙ্গে থাকা পাসপোর্টের ঠিকানা অনুযায়ী মৃত্যুর বিষয়টি পরশুরাম থানাকে অবহিত করলে পুলিশ রাতেই তার পরিবারকে জানিয়ে দেয়। মরদেহ গ্রহণ করতে পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় যাচ্ছেন।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন