বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে একইদিন সকালে সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যাক্তির নাম আব্দুল কুদ্দুস (৬৫)। তিনি ওই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বড়পার্ক গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে তছিমুদ্দিনের দুই ছেলে আব্দুল কুদ্দুস ও মাহাবুরের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ওই জমির সীমানা নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মাহাবুর, তার ছোট ভাই মান্নানসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে আব্দুল কুদ্দুসের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে বাঁচাতে গেলে তার ছেলে রাসেলও গুরুতর আহত হন।
আহত অবস্থায় আব্দুল কুদ্দুস ও তার ছেলে রাসেলকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেলের দিকে আব্দুল কুদ্দুস মারা যান। তার ছেলে রাসেল মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বলে জানিয়েছেন পরিবার।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে ৯ ভারতীয়কে পুশইন বিএসএফের, একই পথে ফেরতের দাবি বিজিবির
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভোগডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।
কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

২ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·