কিশোরগঞ্জে জব্দকৃত তেল গোপনে বিক্রির অভিযোগ ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে

১ সপ্তাহে আগে
কিশোরগঞ্জে পেট্রোল পাম্প থেকে পাচারের সময় জব্দ করা অকটেন জেলা প্রশাসনের এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে রাতের আঁধারে কর্মচারীদের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে এনএসআই অফিস প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে। সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া ও অসৌজন্যমূলক আচরণেরও অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের বিরুদ্ধে।


স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে শহরের গাইটাল এলাকার একটি পেট্রোল পাম্প থেকে প্লাস্টিকের কনটেইনারে করে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় অকটেন পাচার করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পেছনের রাস্তা থেকে ৭৩ লিটার অকটেনসহ সাইফুল নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে।


খবর পেয়ে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মুয়িদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অভিযোগ উঠেছে, তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত মূল পাম্পের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে শুধু বহনকারী সাইফুলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়।


পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এনএসআই অফিস প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসনের কতিপয় কর্মচারীর কাছে ওই জব্দকৃত জ্বালানি বিক্রি করে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এ ঘটনার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ নিতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া হয়। উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, এ বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না; তথ্য জানতে হলে জেলা প্রশাসকের কাছে যেতে হবে।


আরও পড়ুন: তেল-গ্যাস মজুতের দায়ে বরিশালে তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা


এ বিষয়ে জানতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।


এদিকে মেসার্স মুরাদ অ্যান্ড কোং-এর মালিক আলমগীর মুরাদ রেজা পাম্প থেকে তেল পাচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, 'কিছু সরকারি কর্মচারী পাম্পের পেছনে সরকারি গাড়ি থেকে তেল বের করে কনটেইনারে ভরে গোপনে বিক্রি করছিল।'

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন