কালোবাজারে বিক্রির সময় ১৫ ড্রাম পেট্রোলসহ আটক ১১

৪ সপ্তাহ আগে
কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কালোবাজারে বিক্রির সময় বিপুল পরিমাণ পেট্রোলসহ ১১ জনকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। এ সময় পাচারের কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান, ভটভটি ও অটোরিকশাসহ ৭টি গাড়ি জব্দ করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

বুধবার (২৫ মার্চ) মধ্যরাতে জামালপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের কালিবাড়ি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বুধবার বিকেল ৩টায় কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আটকদের এবং জব্দ তেল সদর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

 

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মধ্যরাতে কয়েকটি গাড়িতে করে বিপুল তেলের ড্রাম নিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে তারা গাড়িগুলো থামিয়ে তল্লাশি করে ১৫টি ড্রামে প্রায় ৩ হাজার ১০০ লিটার পেট্রোল দেখতে পান। এ সময় তারা গাড়ির চালকসহ ১১ জনকে আটক করে পুলিশে খবর দেন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই পেট্রোল স্থানীয় খুচরা তেল ব্যবসায়ী সোহেল রানার। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অসাধু ব্যবসায়ীরা কালোবাজারে বেশি দামে তেল বিক্রি করছেন। সোহেল রানাও একই উদ্দেশ্যে এই তেল পাচার করছিলেন বলে অভিযোগ তাদের।

 

আরও পড়ুন: জামাই-শ্বশুর পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, মরদেহ দেখে প্রতিবেশীর মৃত্যু

 

সৌরভ নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘রাতে আমরা কয়েকজন মিলে কালীবাড়ি বাজারে আড্ডা দিচ্ছিলাম। এমন সময় কয়েকটা গাড়ি দেখে সন্দেহ হলে আমরা সেগুলো থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করি। এ সময় চালক ও গাড়িতে থাকা লোকজন পেট্রোল পাচারের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে আমরা তাদের পুলিশে সোপর্দ করি। আমরা এই পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

 

আটক ১১ জন হলেন: জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার হাকিম মিয়া (৪০), মো. মারুফ হোসেন (২৪), চালক হামিদুর রহমান (৫২), সদর উপজেলার হাফিজুর রহমান (৪০), মাদারগঞ্জ উপজেলার মো. শাহ জামাল (৫০), চালক আলতাফুর রহমান (৪৮), সরিষাবাড়ী উপজেলার মো. জগলু মিয়া (৪৪), মো. জহুরুল ইসলাম (৪৫), মো. সবুজ মিয়া (৪০), এবং বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ফুল মিয়া (৩৮) ও মনির হোসেন (৪৫)।

 

অন্যদিকে অভিযুক্ত খুচরা তেল ব্যবসায়ী সোহেল রানা সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকার নেপাল মিয়ার ছেলে।

 

এ ঘটনায় শুরুতে পুলিশ ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি না হলেও পরবর্তীতে জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন, ‘আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে। তারপর আদালতের নির্দেশে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন