জানা যায়, স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে ঝিনাইদহের ৬ উপজেলার ৬৭টি ইউনিয়নের ১৮৭টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে সরকার। এক বছর আগেও এসব ক্লিনিক থেকে জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথাব্যথাসহ সাধারণ রোগের জন্য বিনামূল্যে ২৭ প্রকার ওষুধ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অধিকাংশ ক্লিনিকে মাত্র ২ থেকে ৩ প্রকার ওষুধ রয়েছে, আবার কোথাও একেবারেই ওষুধ বিতরণ বন্ধ রয়েছে। ওষুধ নিতে এসে দিনের পর দিন ফিরে যেতে হচ্ছে সেবাপ্রত্যাশীদের।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রঘুনাথপুর কমিউনিটি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আজ কয়েক মাস ধরে এখানে এসে ওষুধ পাচ্ছি না। আগে তো সব রকম ওষুধ পাওয়া যেত। এখন আসলে শুধু কথা বলেই পাঠিয়ে দিচ্ছে।’
আরও পড়ুন: কয়রার কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ না পেয়ে খালি হাত ফিরছেন রোগীরা
রাশিদা খাতুন নামে আরেক সেবা প্রত্যাশী বলেন, ‘আমার ছোট ছেলেটার জ্বর আর ঠান্ডা লেগেছে। আগেও এখান থেকে ফ্রি ওষুধ নিছি। আজ এসে শুনি ওষুধ নেই। গরিব মানুষের জন্য এই ক্লিনিক, কিন্তু এখন তো কোনো উপকারই পাচ্ছি না। বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হলে তো ৪-৫’শ টাকা লাগবে।’
এ বিষয়ে কালুহাটি কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ কেয়ার প্রভাইডার মাজেদুল হক বলেন, ‘আমাদের কাছে রোগী আসে, কিন্তু দেয়ার মতো ওষুধ নেই। এতে রোগীরাও ক্ষুব্ধ হচ্ছেন, আমরাও বিব্রত হচ্ছি। আমাদের তো কিছু করার নেই।’
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘সরকারিভাবে ওষুধ সরবরাহ একদম কমে গেছে। কবে নাগাদ ঠিক হবে তাও সিওর বলা যাচ্ছে না। আশা করছি দ্রুতই ওষুধ সরবরাহ ঠিক হলে এই সংকট কেটে যাবে।’

২ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·