কমতে শুরু করেছে বরগুনায় হামের সংক্রমণ

১ সপ্তাহে আগে
সারাদেশে হাম সংক্রমণের যখন ঊর্ধ্বগতি, তখন এর উল্টো চিত্র বরগুনায়। হটস্পট সদর উপজেলায় টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই কমতে শুরু করেছে হাম সন্দিগ্ধ ও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে ৩ শিশুকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৫ শিশুকে। এ মুহূর্তে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩১ জন।

জেলায় এখন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৪১ জন। এদের মধ্যে ৮৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৭ জনের হাম এবং একজনের রুবেল শনাক্ত হয়েছে। আর হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পাঁচ শিশুর। সদর উপজেলায় ইতোমধ্যেই প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হামের হটস্পট সদর উপজেলায় ২৩ হাজার শিশুকে টিকা দেয়া হবে।


ফাতিমা নামে এক অভিভাবক জানান, চারদিন ধরে হাসপাতালে তিনি তার একমাত্র মেয়েকে নিয়ে ভর্তি। প্রথমে জ্বর; এরপর নিউমোনিয়া হয় তার শিশু কন্যার পরে। পরে সমস্ত শরীরে র্যাশ উঠে। তবে এখন অবস্থার অনেকটাই উন্নতি হয়েছে বলে জানান তিনি।


আরও পড়ুন:  বরিশাল বিভাগে হামের ‘হটস্পট’ বরগুনা, ৩ শিশুর মৃত্যুতে আতঙ্ক

সুলাইমান নামে আরেক অভিভাবক জানান, ছয় দিনের চিকিৎসায় তার ছেলে এখন পুরোপুরি সুস্থ। চিকিৎসকরা ছাড়পত্র দিলেই তিনি বাড়ি চলে যেতে চান।


বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রেজওয়ানুর আলম বলেন, বরগুনার হাম এখন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা যেমন কমেছে, ঠিক তেমনি ভাবে হামের উপসর্গ নিয়ে আসার রোগীর সংখ্যাও কমেছে। এখনো যতটুকু প্রকোপ আছে, স্বাস্থ্যবিধি মানলে তা থেকে দ্রুত পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।


বরগুনার সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. আবুল ফাত্তাহ বলেন, গত ৫ তারিখ থেকে টিকে প্রধান কার্যক্রম শুরুর পর থেকেই বরগুনায় হাম আক্রান্ত এবং হাম সন্দ্নিগ্ধ রোগীর সংখ্যা কমতে থাকে। হটস্পট সদর উপজেলায় ২৩ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করা হবে। ইতিমধ্যেই আমরা সাড়ে ১৯ হাজার শিশুকে টিকা প্রদান করেছি। আশা করি খুব শিগগিরই বরগুনায় হাম নির্মূল করা সম্ভব হবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন