ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ও সেনাবাহিনীর ২টি ইউনিট একযোগে কয়েক ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর কাজ করছে। এতে অগ্নিদগ্ধ ৯ জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনায় গ্যাস পাম্প কর্তৃপক্ষকে দায়ী করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, গ্যাস লিকেজ থেকে হোঁট করে বিস্ফোরণে আশপাশের কয়েকটি জীপ বিস্ফোরিত হওয়ার পাশাপাশি অগ্নিদগ্ধ হয় বেশ কয়েকজন। তাদেরকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার পরপর ছুটে আসে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় সেনাবাহিনীর আরও ২টি ইউনিট। পাহাড়ের ওপর থেকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে তারা। কিন্তু আগুনের মাত্রা বাড়তে থাকে।
আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে মাদ্রাসায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ টি কক্ষ পুড়ে ছাই, ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি
গ্যাস পাম্প থেকে ছড়িয়ে পড়ে গ্যাস। কিন্তু তার মাঝেও চারদিক থেকে ভিড় করে উৎসুক জনতা। কিন্তু মানুষের নিরাপত্তায় মাঠে নামে সেনাবাহিনী। চারদিকে থেকে বন্ধ রাখায় যানবাহন চলাচল।
রাত ১২ টায় পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আর বিচ্ছিন্ন রয়েছে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ।
]]>

৩ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·