ওয়ানডে ম্যাচ সীমিত তাই গুরুত্বও বেড়েছে: নিকোলস

২ দিন আগে
সাদা বলের ক্রিকেটে ক্রমেই টি-টোয়েন্টি মূল ফরম্যাট হয়ে উঠছে। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ম্যাচ সংখ্যা তলানিতে এসে ঠেকেছে। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার হেনরি নিকোলস জানিয়েছেন, বৈশ্বিক টুর্নামেন্টগুলোর মাঝখানে সীমিত সংখ্যক ওয়ানডে ম্যাচ থাকায় ভারত সফরের চলমান সিরিজের মতো সিরিজগুলো এখন 'আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ' হয়ে উঠেছে।

যদিও পরবর্তী ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ এখনও ২২ মাস দূরে এবং আগামী মাসের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে মূল মনোযোগ থাকায় ওয়ানডে ফরম্যাটের প্রাসঙ্গিকতা ও এই সিরিজের প্রেক্ষাপট নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। তবে, ম্যাচসংখ্যা কমে আসায় এমন সিরিজের গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার হেনরি নিকোলাস। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নিউজিল্যান্ডের অনুশীলনের আগে সাংবাদিকদের নিকোলস বলেন, 'আপনি যেমন বললেন, বড় ইভেন্টগুলোর মাঝখানে এখন খুব বেশি ওয়ানডে ক্রিকেট থাকে না। সেটাই এই ধরনের সিরিজকে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।'


তিনি আরও যোগ করেন, 'আমাদের মধ্যে কয়েকজন দেশে ফিরে কিছু লিস্ট–এ ক্রিকেট খেলেছে, ফলে ফরম্যাটটা নিয়ে আমাদের কিছুটা ধারণা আছে। কিন্তু এটা এমন একটা ফরম্যাট, যেটা আমরা খেলতে উপভোগ করি। তাই এখন যখন এমন সিরিজ আসে, সীমিত সংখ্যার কারণে এগুলোর গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি।'


প্রথম ওয়ানডেতে চার উইকেটে হেরে গেলেও কাছাকাছি গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সে প্রসঙ্গে নিকোলস বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সঠিক কাজগুলো করে যেতে হবে তাদের। তার ভাষায়, 'ব্যাটিংয়ের দিক থেকে আমরা অনেক কিছুই ভালো করেছি, কিন্তু সেটা আরও কিছুক্ষণ ধরে করতে পারলেই পার্থক্যটা গড়ে দেওয়া যেত। ডেভন আর আমার ওপেনিং জুটি হয়েছিল—যদি আমাদের একজন আরও দীর্ঘ সময় ব্যাট করতে পারত…'


আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের পেসার আলি খানকে ভিসা দিতে ভারতের নাকচ


'ওয়ানডে ক্রিকেটে এটা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। যদি হাতে উইকেট থাকে এবং শেষ ১৫ বা ১০ ওভারের দিকে একজন সেট ব্যাটার থাকে, তাহলে ডেথ ওভারগুলোতে স্কোর তোলার সময়টা অনেকটাই বাড়ানো যায়,'–তিনি যোগ করেন।


নিউজিল্যান্ড দলে থাকা অপেক্ষাকৃত অনভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের জন্য বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা থেকে কী শেখার আছে—এমন প্রশ্নে নিকোলস বলেন, তারা অবশ্যই চাপ তৈরি করতে পেরেছেন।


নিকোলস বলেন, 'এখানে এসে খেলাটাই চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে তরুণ দল হিসেবে, এমনকি অভিজ্ঞ দল হিসেবেও যখন এমন খেলোয়াড়দের বিপক্ষে খেলতে হয়, যারা এত বছর ধরে ক্রিকেট খেলছে।'


'তবে প্রথম ম্যাচে সামনে থেকে দেখে নেওয়া এবং যেভাবে আমাদের ছেলেরা মানিয়ে নিয়েছে, বিশেষ করে বোলিংয়ের দিক থেকে, ওদের বিপক্ষে বোলিং করে কীভাবে চাপ তৈরি করা যায়, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ছিল। যদি আমরা এসব কিছু করতে পারি, এমনকি অনভিজ্ঞ দল হিসেবেও, তাহলে ক্রিকেটের স্বভাবই এমন যে, উইকেট নিতে পারলে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা যায়।'


আরও পড়ুন: ভারতকে থামাতে না পারলে আইসিসির কাজ বন্ধ করা উচিত: আজমল


৩৪ ওভারের পর এক বল ব্যবহারের নিয়ম ব্যাটিংকে কঠিন করে তোলে বলেও মনে করেন নিকোলস, 'আমাদের ইনিংসের শেষের দিকে দেখেছি, বলটা অনেক বেশি গাঢ় রঙের আর নরম হয়ে গিয়েছিল, যেটা দিয়ে রান করা কঠিন হয়ে পড়ে।  এই কারণেই নিয়মটা আনা হয়েছে, ডেথ ওভারগুলোর দিকে ব্যাটিংটা একটু কঠিন করে তোলার জন্য এক বল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত।'


তিনি আরও যোগ করেন, 'এটা ব্যাটিং দল হিসেবে মনে রাখতে হবে। যদি প্রথমে ব্যাট করে আপনি ম্যাচে এগিয়ে থাকেন, তাহলে শেষদিকে খুব সহজে রান তোলা নাও যেতে পারে। তাই হয়তো একটু আগে থেকেই আক্রমণ করার কথা ভাবতে হবে।'

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন