মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার মিরপুর বাজারে এ সংঘর্ষ চলে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর দীর্ঘ চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
পুলিশ জানায়, পাওনা টাকা নিয়ে লামাতাসি গ্রামের আলফু মিয়া এবং বানিয়াগাও গ্রামের জহুরুল মিয়ার মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকটি গ্রামে উত্তেজনা দেখা দেয়। এক পর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়ায়।
এমনকি রাতে মাইকে ঘোষণা দিয়েও টর্চ জ্বালিয়ে চলে সংঘর্ষ। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে মিরপুর বাজার ‘রণক্ষেত্রে’ পরিণত হয়। সংঘর্ষে অন্তত শতাধিক লোক আহত হন। আহতদের বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার, সড়ক অবরোধ
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও প্রথমদিকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন।
বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। এ ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ফের সংঘর্ষের শঙ্কায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’
এর আগে দুপুরে লাখাই উপজেলার তেঘরিয়া পূর্বহাটি গ্রামে সালিশে অধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ ও টেঁটাযুদ্ধ হয়। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উভয়পক্ষের ১৩ জনকে আটক করে। এ সময় উদ্ধার করা হয় বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র।
]]>