একজন মুমিন প্রতিদিন যেসব আমল করবেন

১ সপ্তাহে আগে
মহান আল্লাহর আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী চলাই মুমিনের জীবনের একমাত্র সম্বল। জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি কাজ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করা হয়, তবে তাই ইবাদত হবে। মহান আল্লাহ মানুষকে তার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছেন।

মুমিন ব্যক্তির জন্য প্রতিদিন নিয়মিত কিছু আমল ও দোয়া করা আবশ্যক। আর তা হলো-

 

জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা

 

প্রাপ্তবয়স্ক মুমিনের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা আবশ্যক। আর প্রতিদিন ফরজ নামাজের বাইরেও অন্যান্য নফল নামাজ যেমন- তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত ও আওয়াবিনের প্রতি গুরুত্ব দেয়া উচিত। কারণ, ফরজের পাশাপাশি এ আমলগুলো মানুষকে পরকালে আল্লাহর শাস্তি থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করবে।

 

হারাম থেকে বেঁচে থাকা


ইদানিং অনেকে আমল করে- কিন্তু হারাম থেকে বেঁচে থাকে না। অথচ হারাম থেকে বেঁচে থাকা ফরজ। কারণ, হারাম থেকে বেঁচে থাকা মহান আল্লাহর নির্দেশ। এর থেকে বেঁচে থাকতেই হবে। হালালের মাধ্যমেই আমাদের অর্থনীতির সার্বিক সমাধান খুঁজতে হবে। হালাল কখনোই অসম্ভব নয়। তবে হালালের জ্ঞান ও অনুসন্ধানে ত্রুটি থাকার কারণে কখনও মনে হতে পারে, সব কিছুই হারাম, এ যুগে হালাল অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা সম্ভব নয়। এ ধারণা একেবারেই ভুল।

 
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণিত হাদিসে আছে, তিনি বলেন, ‘হারাম খাদ্য গ্রহণ করে ইবাদত করা মূলত গোবরের ওপর ইমারত নির্মাণের মতোই।’ (কিতাবুল আরবাঈন ফি উসুলিদ্দীন ফিল আকায়েদ ওয়াল আসরার : ৭৫)।


সুন্নতের অনুসরণ


মুমিনের জীবনে সর্বোত্তম আদর্শ নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তার আদর্শ অনুযায়ী দৈনন্দিন সব কাজ করা উচিত। পরস্পর সালাম আদান প্রদান করা, উপরে উঠতে আল্লাহু আকবার বলা। নিচে নামতে সুবহানাল্লাহ বলা। চলাফেরার সময় লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র জিকির করা। প্রত্যেক ভালো কাজে ডানকে প্রাধান্য দেয়া। নীচুমানের কাজে বামকে প্রাধান্য দেয়া। কোরআন তিলাওয়াত করা। প্রতিদিন শুদ্ধভাবে কিছু পরিমাণ কোরআন তেলাওয়াত করা। ফরজ নামাজের পর দোয়া ও ওজিফা পড়া।


প্রতিদিন বিভিন্ন দোয়া করা

 

১. ইস্তিগফার পাঠ করা। 

أَسْتَغْفِرُ الله الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

২. প্রতি নামাজের পরে আয়াতুল কুরসি পড়া। (নাসায়ি: ৯৮৪৮)

৩. সুরা ফালাক, সুরা নাস-তিনবার করে, এর সঙ্গে সুরায়ে কাফিরুন ও ইখলাস মিলিয়ে নিলে ভালো। (তিরমিজি: ২৯০৩)

৪. তাসবীহে ফাতেমী একবার পড়া। (৩৩ বার سُبحَا نَ ا لله (উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহ) ৩৩ বার اَلحَمدُ لِلّهِ (উচ্চারণ: আলহামদুলিল্লাহ) ৩৪ বার اَللهُ اَكبَر (উচ্চারণ: আল্লাহু আকবার) (মুসলিম: ৫৯৭)

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন