মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে রামগঞ্জ উপজেলার নারায়নপুর এলাকায় মাহফুজ আলমের বাড়িতে যান তিনি। এ সময় এ্যানির সঙ্গে আরও ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবুসহ জেলা ও উপজেলা বিএপির নেতারা।
স্বৈরাচার হাসিনা পতনের আন্দোলনে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ও তার বাবা আজিজুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের সাহসী ভূমিকার কথা উল্লেখ করে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘বাচ্চু মোল্লার সঙ্গে যে ধরনের অপ্রীতিকর এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, তা কোনোভাবে মেনে নেয়া যায় না। এটা কাম্য নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান মঞ্জুর পক্ষ নেয়ার যে বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এসেছে, এটার দায়িত্ব আজিজুর রহমান বাচ্চু মোল্লা নিবেন না এবং নেননি। সুতরাং ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই। তিনি ছোটবেলা থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাই অতীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেভাবে ছিলেন, এখনও একত্রে থাকবেন। সবাই একসঙ্গে থাকবেন।’
আরও পড়ুন: সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার, সড়ক অবরোধ
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘স্বৈরাচার পতনে যেসব দল একসঙ্গে আন্দোলন ও সংগ্রাম করছে, তাদের সঙ্গে রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতে পারে। তবে হাসিনার বিচার সবার আগে বিএনপি চায়, এখনও চাচ্ছে। গত ১৬ বছর হাসিনার অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিএনপি আন্দোলন সংগ্রাম করেছে এবং এখনও করছে। কখনও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি, ভবিষ্যতেও করবো না।’
জুলাই আন্দোলনেও বিএনপি সংগ্রাম করেছে উল্লেখ করে এ্যানি বলেন, ‘বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী গুম, খুনের শিকার হয়েছেন। এতকিছুর পরও এখনও হাসিনার বিচার শুরু হয়নি। বিচারের কথা বার বার বলা হচ্ছে।’
আগামী দিনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘অনেক ষড়যন্ত্র চলছে। কোনো ষড়যন্ত্রই কাজ হবে না। ঐক্যবদ্ধ থেকে সবাইকে তা মোকাবিলা করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’
]]>