উদ্বোধনী ম্যাচেই সেঞ্চুরি, সিলেটের দর্শকদের শান্ত করে দিলেন ‘শান্ত’

২ সপ্তাহ আগে
প্রথম ম্যাচই ঘরের মাঠে। গ্যালারিতে সিলেট টাইটান্স দর্শকদের উদ্দীপনাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। কিন্তু দর্শকদের কানফাটা স্লোগান মোটেও টলাতে পারেনি রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে। চোখ জুড়ানো সেঞ্চুরিতে দলকে জিতিয়ে গ্যালারিভর্তি দর্শকদের যেমন চুপ করিয়ে দিয়েছেন তেমন উদ্বোধনী ম্যাচেই বাকি প্রতিপক্ষকেও কঠিন বার্তা দিয়ে রাখলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

 ১২তম আসরে এসেও সরল হয়নি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) পথচলা। অসংখ্য সমালোচনা সঙ্গী হলেও শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়িয়েছে। উদ্বোধনী ম্যাচে শান্তর সঙ্গে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শনী করলেন রাজশাহীর অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। হাফ-সেঞ্চুরির সঙ্গে জয় তুলে নিয়েই মাঠ ছাড়লেন।

 

আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯০ রানের সংগ্রহ পায় সিলেট টাইটান্স। জবাব দিতে নেমে ২ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। 

 

আরও পড়ুন: শান্তর সেঞ্চুরি আর মুশফিকের ফিফটিতে বড় জয়ে আসর শুরু রাজশাহীর

 

জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনে ব্যাট করতে থাকেন দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও শাহিবজাদা ফারহান। স্কোরবোর্ডে ১৯ রান যোগ হতেই বিদায় নেন তানজিদ। ৮ বলে ১০ রান করে খালেদের বলে হজরতউল্লাহ জাজাই-এর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি। দলীয় ৬২ রানের মাথায় ফেরেন শাহিবজাদা, তার ব্যাট থেকে আসে ১৯ বলে ২০ রান।

 

৩ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলতে থাকেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শাহিবজাদা ফিরলে শান্ত’র সঙ্গে যোগ দেন মুশফিকুর রহিম। দুজনে মিলে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। 

 

আরও পড়ুন: বিপিএলের উদ্বোধনীতে কেন ট্রফি দেখানো হয়নি?

 

সময় গড়ানোর সাথে সাথে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন শান্ত। প্রতিপক্ষ বোলারদের একাই শাসন করতে থাকেন তিনি। এক পর্যায়ে তুলে নেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। ৬০ বলে ৫ ছক্কা ও ১০টি চারে সাজানো তার ইনিংসটি। আরেক প্রান্তে থাকা মুশফিকুর রহিম অপরাজিত থাকেন ৩১ বলে ৫১ রান করে। 

 

বিপিএলে এটি শান্ত’র দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এর আগে ২০২০ সালে খুলনা টাইগার্সের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন শান্ত। খুলনায় হয়ে সেই আসরে অপরাজিত ১১৫ রান করেছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন