ঈদে বাজি ফোটানো নিয়ে ঝগড়া, পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

৪ সপ্তাহ আগে
মাদারীপুরে আতশবাজি ফোটানো নিয়ে ঝগড়ার জেরে এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ১৯ মার্চ সকালে সদর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের রাখালহাটি গ্রামে আতশবাজি ফোটানোকে কেন্দ্র করে ঝগড়ার পর প্রতিবেশী তাকে পিটিয়ে জখম করেন।


মৃত বনানী শিকদার (৩৫) একই এলাকার পুলিশ সদস্য সুব্রত শিকদারের স্ত্রী।


এ দিকে এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন; একই এলাকার তোলক শিকদার (৪৪), মনির শিকদার (৩৮) ও রবি শিকদার (৪২)।


আরও পড়ুন: মাদক নিয়ে ভিডিও প্রচার, কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যা


স্বজন ও এলাকাবাসী জানান, গত ১৯ মার্চ সকালে গ্রামের কয়েকজন শিশু আতশবাজি ফোটাচ্ছিল। এ সময় বাজির ফুলকি গিয়ে পড়ে প্রতিবেশী মন্টু শিকদারের স্ত্রী অমৃতি শিকদারের কাপড়ে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্য সুব্রত শিকদারের স্ত্রী বনানী শিকদারের (৩৫) সঙ্গে প্রতিবেশীদের কথা কাটাকাটি হয়।


একপর্যায়ে প্রতিবেশী মন্টু শিকদার (৬০) উত্তেজিত হয়ে হালচাষের লাঠি দিয়ে বনানীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে পড়েন তিনি। স্থানীয়রা বনানীকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে এবং সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়।


খবর পেয়ে শ্রীনদী ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।


আরও পড়ুন: রাজধানীতে পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বে যুবককে পিটিয়ে হত্যা


এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।


এ দিকে ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন