ঈদে ভিড় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়াতে চাইলে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। নিষকন্টক ভ্রমণের জন্য কিছু কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সেরে নিতে পারেন। আসুন এক নজরে জেনে নিই, ঈদে ট্রেন যাত্রায় যেসব বিষয় মেনে চলবেন-
১। সময় ও ভিড় এড়াতে টিকিট অনলাইনে সংগ্রহ করুন।
২। ঈদের সময় ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেশি থাকে। তাই যাত্রার তারিখের অন্তত এক থেকে দুই সপ্তাহ আগে থেকে টিকিট বুক করে রাখলে ভালো।
৩। ঈদের মৌসুমে ট্রেনের সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন বা বিলম্ব হতে পারে। তাই স্টেশনে আগেভাগে পৌঁছে যাওয়া ভালো, যাতে কোনো সমস্যা না হয়।
৪। ভিড়ের মধ্যে বেশি লাগেজ বহনে ঝক্কি পোহাতে হয়। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সীমিত রাখুন এবং সহজে বহন করা যায় এমন ব্যাগ ব্যবহার করুন।
৫। ট্রেনে ও স্টেশনে পকেটমার, চোর, ছিনতাইয়ের উপদ্রব বাড়ে। তাই মূল্যবান জিনিসপত্র (টাকা, মোবাইল, গহনা) নিরাপদে রাখুন এবং সতর্ক থাকুন।
৬। অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে কখনও ট্রেনে উঠবেন না। এতে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটার শঙ্কা থাকে।
৭। টিকিট না পেলে, ট্রেন ছাড়ার সময় বাতিল হলে কিংবা ট্রেন মিস করলে বিকল্প বাহনে যাওয়ার পরিকল্পনা মাথায় রাখুন। হতাশ না হয়ে ধৈর্য সহকারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।
আরও পড়ুন: গরমে পাহাড় না সমুদ্র, কোথায় ঘুরতে যাবেন?
৮। ঈদের সময় ট্রেন যাত্রায় অপরিচিত কিংবা বাইরের খাবার ও পানি গ্রহণে বিরত থাকুন। অজ্ঞান অথবা মলম পার্টির হাত থেকে বাঁচতে সঙ্গে পর্যাপ্ত শুকনো খাবার ও পানির বোতল রাখুন।
৯। ভিড়ের মধ্যে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে মাস্ক ব্যবহার করুন এবং হাত পরিষ্কার রাখার জন্য স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখুন।
আরও পড়ুন: ভ্রমণের ‘অদ্ভুত নিয়ম’ যেসব দেশে
১০। নিউট্রিশনিস্টরা মনে করেন, ভ্রমণের সময় চা কিংবা কফি খাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। ক্যাফেইনজাতীয় এসব পানীয় দ্রুত এনার্জি দিলেও ডিহাইড্রেশন, অ্যাসিডিটি, বমি বমি ভাব এবং মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই ট্রেন যাত্রায় এসব থেকে দূরে থাকাই ভালো।
উল্লিখিত বিষয়গুলো মাথায় রাখলেই ঈদে ট্রেনযাত্রা হবে সহজ ও নিরাপদ। ভ্রমণও হবে আনন্দময়।
]]>