এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুর-কুমিল্লা-চট্টগ্রাম জেলার সড়ক সমূহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ ও সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে ‘২১ বীর’ এর শতাধিক সেনাসদস্য দায়িত্বরত আছেন।
পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেবার লক্ষ্যে সাধারণ মানুষের এ যাত্রা যাতে সুখকর হয়। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব বাস মালিক সমিতি ও চালকদের ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালনা, অধিক গতিতে গাড়ি চালনা, যত্রতত্র গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ওঠানো, অযথা লেন পরিবর্তন, ক্লান্তি নিয়ে গাড়ি চালানো হতে বিরত থাকার অনুরোধ করেছে। এছাড়াও মহাসড়কের দুইপাশে যাতে ভাসমান দোকান স্থাপনের মাধ্যমে রাস্তা সংকীর্ণ না করা হয় সে বিষয়ে চাঁদপুর-কুমিল্লা-চট্টগ্রাম সড়কের পাশে অবস্থিত সব বাজার মালিক সমিতিকে বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছে।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে সড়কে চেকপোস্ট
চাঁদপুরে সেনাবাহিনীর কমান্ডিং অফিসার লে. কর্নেল মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, ঘরমুখো মানুষের ঈদ যাত্রায় বিঘ্ন ঘটে এমন কোনো কারণ প্রতিহত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনী তার ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার করবে। ‘সমরে ও শান্তিতে সর্বত্র দেশের তরে’ এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতে জনগণের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকতে বদ্ধপরিকর।