২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল খ্রিষ্টানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডের দিন নজিরবিহীন আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দেশটির তিনটি গির্জা এবং বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বোর তিনটি বিলাসবহুল হোটেল লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
একই সময়ে একযোগে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যাতে ২৭৯ জন নিহত হন। আহত হন ৫০০ জনের বেশি মানুষ। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন বিদেশিও ছিল। এতে করে দ্বীপ রাষ্ট্রটির পর্যটন খাত হুমকির মুখে পড়ে যায়।
বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। ঘটনাটি দেশটির ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে বিবেচিত। বোমা হামলার পর তৎকালীন সরকার একটি স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর ওপর দায় চাপায়।
ওই হামলার পর শ্রীলঙ্কার পর্যটনখাত ব্যাপক সংকটে পড়ে। এতে নড়েবড়ে হয়ে যায় দেশটির অর্থনীতি। ঘটনার ছয় বছর পর দেশটির তদন্তকারীরা এখন বলছেন, তৎকালীন গোয়েন্দা প্রধান এই বোমা হামলায় সহায়তা করেছিলেন।
আরও পড়ুন: ৫.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল পাকিস্তান
সিআইডির এক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা আজ বুধবার এএফপিকে বলেন, ‘ইস্টার সানডে হামলার ষড়যন্ত্র, সহায়তা এবং মদদের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম চ্যানেল-৪ ২০২৩ সালে এক প্রতিবেদনে জানায়, মেজর জেনারেল সুরেশ বোমা হামলার আগে হামলাকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং তার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আছে।
বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি (হুইসেলব্লোয়ার) সংবাদমাধ্যমটির কাছে দাবি করেন, ওই বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন রাজাপক্ষের পক্ষে নিতে ও প্রভাবিত করতে হামলা চালানোর অনুমতি দেন।
বোমা হামলার দুইদিন পর রাজাপক্ষে প্রেসিডেন্ট পদে তার প্রার্থীতা ঘোষণা করেন এবং নভেম্বরে হওয়া নির্বাচনে ভূমিধস জয় পান। রাজাপক্ষে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর মেজর জেনারেল সুরেশকে শ্রীলঙ্কার প্রধান গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান করা হয়।
আরও পড়ুন: মিয়ানমারের রাখাইনে জান্তার বিমান হামলায় নিহত ১৭
তবে ২০২৪ সালে অনুরা কুমারা দিশানায়ক প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তাকে বরখাস্ত করা হয়। ওই হামলার আগে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সতর্কতা দিয়েছিল, যে কোনো সময় বড় হামলা হবে। কিন্তু তাদের সেই সতর্কতা উপেক্ষা করা হয়।
]]>
৩ দিন আগে
১








Bengali (BD) ·
English (US) ·