ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ঘিরে প্রশ্ন কেন

১ সপ্তাহে আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতা ঘিরে এখন বড় প্রশ্ন উঠছে কূটনৈতিক মহলে। ইসলামাবাদে বৈঠক আয়োজনের প্রস্তুতি থাকলেও তেহরানের অনাগ্রহ ও ওয়াশিংটনের কড়া অবস্থান পুরো প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। এর মাঝেই পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ আরও বাড়ছে। তাই এখন আস্থার সংকটে পড়েছে শান্তি উদ্যোগ।

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে ফের আলোচনায় বসানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। কিন্তু দুই পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে। এই পরিস্থিতিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের নিরপেক্ষতা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

 

বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষই যখন একে অপরের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না, তখন তৃতীয় পক্ষ হিসেবে পাকিস্তানের সক্ষমতা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

 

কিছু পর্যবেক্ষক মনে করছেন, পাকিস্তান এই মধ্যস্থতার মাধ্যমে আঞ্চলিক কূটনীতিতে নিজের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি বাস্তবসম্মত শান্তি উদ্যোগের চেয়ে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কৌশলও হতে পারে। 

 

এই দ্বৈত ধারণা পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে আরও বিভ্রান্তি তৈরি করছে।

 

আরও পড়ুন: ইরানে যুদ্ধবিরতি /মধ্যস্থতায় পাকিস্তান কি নিজ থেকে গেছে, নাকি যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য করেছে?

 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়ই একে অপরকে বিশ্বাস করতে রাজি নয়। তারা পরস্পরের বিরুদ্ধে সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রেখেছে। এই অবস্থায় পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গ্রহণ করা হলেও, বাস্তবে দুই পক্ষই ইসলামাবাদের উদ্যোগকে কতটা গুরুত্ব দেবে, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এ কারণে আলোচনা শুরুর আগেই আস্থার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে।

 

ইরানের আলোচনায় না আসার ইঙ্গিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থানে পুরো প্রক্রিয়া অনিশ্চয়তায় পড়েছে। পাকিস্তানের উদ্যোগ যদি ব্যর্থ হয় তাহলে আঞ্চলিক কূটনীতিতে তাদের মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। এখন মূল প্রশ্ন হলো: এই উদ্যোগ কি সত্যিকারের শান্তির পথ খুলবে, নাকি কেবল নতুন কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি করবে।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন