মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে, ইয়েমেনে জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ বলেছেন, ওমানের রাজধানী মাস্কাটে প্রায় দুই সপ্তাহের আলোচনার পর বন্দি বিনিময় চুক্তিটি হয়েছে।
মাস্কাট ২০১৪ সালে শুরু হওয়া সরকার এবং হুতিদের মধ্যে সংঘাতের মধ্যস্থতাকারী দেশ।
আরও পড়ুন:গাজা / বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসরাইলি হামলার নিন্দা মার্কিন অধিকার গোষ্ঠীর
এটিকে ইতিবাচক এবং অর্থবহ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করে গ্রুন্ডবার্গ বলেন, এই চুক্তি ইয়েমেন জুড়ে বন্দি এবং তাদের পরিবারের দুর্ভোগ লাঘব করবে।
তিনি আরও বলেন যে, এর কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য পক্ষগুলোর অব্যাহত সম্পৃক্ততা এবং সহযোগিতা প্রয়োজন। তাহলে ভবিষ্যতে আরও বেশি বন্দিদের মুক্তির বিষয়টি এগিয়ে নেয়া সম্ভব হবে।
মাস্কাটে হুতি প্রতিনিধিদলের একজন কর্মকর্তা আব্দুল কাদের আল-মোরতাদা এক্স-এ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা আজ অন্য পক্ষের সাথে একটি বড় বন্দি বিনিময় চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছি যার বিনিময়ে আমাদের ১,৭০০ বন্দি এবং তাদের ১,২০০ বন্দিকে মুক্তি দেয়া হবে।
এদিকে, সরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য মাজেদ ফাদাইল বলেছেন, নতুন বন্দি বিনিময়ের মাধ্যমে হাজার হাজার যুদ্ধবন্দির মুক্তির পথ খুলে গেলো।
সরকার এবং হুতিদের মধ্যে যুদ্ধ, যা ২০২২ সাল থেকে মূলত স্থবির হয়ে পড়েছে, তাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন এবং বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন:গাজায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত, উভয় পক্ষকে যুদ্ধবিরতি মেনে চলার আহ্বান মধ্যস্থতাকারীদের
জাতিসংঘের মতে, ইয়েমেন জুড়ে প্রায় দুই কোটি মানুষ বেঁচে থাকার জন্য সাহায্যের উপর নির্ভরশীল, অন্যদিকে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত রয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·