এর কয়েক ঘন্টা আগে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী, দক্ষিণ ইয়েমেনের মুকাল্লা বন্দরে আক্রমণ করেছিল। রিয়াদের দাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে সংযুক্ত অস্ত্রের চালানের উপর বিমান হামলাটি চালানো হয়েছিল। যা দুই উপসাগরীয় রাজতন্ত্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বিরোধের মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ঘটনা।
এদিকে, ওয়াশিংটনে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাথে ইয়েমেনের উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করে এমন অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।
আরও পড়ুন:আমিরাতের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল ইয়েমেনের
কুয়েত এবং বাহরাইনসহ বেশ কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ বলেছে যে তারা সংলাপ জোরদার এবং রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর যে কোনো প্রচেষ্টাকে সমর্থন করবে।
অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইয়েমেনে তাদের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের মিশন স্বেচ্ছায় শেষ করেছে, ২০১৯ সালে সামরিক উপস্থিতি শেষ করার পরও তাদের একমাত্র বাহিনী সেখানে ছিল বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়।
এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং সন্ত্রাসবিরোধী মিশনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতার সম্ভাব্য প্রভাব বিবেচনা করে সংযুক্ত আরব আমিরাত স্বেচ্ছায় ইয়েমেনে থাকা অবশিষ্ট সন্ত্রাসবিরোধী দলগুলোকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা বলছে, এই প্রক্রিয়ায় আমিরাতের বাহিনীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।
আরও পড়ুন:ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালালো সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট
]]>

২ সপ্তাহ আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·