গেল শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এবাদি বলেন, ‘আমাকে আজ রাতে জরুরি ভিত্তিতে কথা বলতে হচ্ছে। বিশ্বাসযোগ্য তথ্য রয়েছে যে ইরানে ব্যাপক যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার সুযোগ নিয়ে এই রাতকে গণহত্যায় পরিণত করার চেষ্টা করতে পারে।’
তিনি আরও বলেন,
ইরানিরা শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় নেমেছে, আর তাদের জবাব দেয়া হয়েছে গুলিবর্ষণের মাধ্যমে। ইরানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা কোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি নয়; এটি একটি কৌশল।
পশ্চিমা সরকার ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর উদ্দেশে এবাদি বলেন, ‘নীরবতা কার্যত অনুমতি দেয়ার শামিল হবে।’
বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গুলি চালানো বন্ধ করা, হাসপাতালগুলো সুরক্ষিত রাখা এবং অবিলম্বে যোগাযোগ বা ইন্টারনেট পুনরুদ্ধারের জন্য ‘প্রকাশ্য চাপ সৃষ্টির’ আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: ইরানে মসজিদে আগুন, বিক্ষোভকারীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ১০৯ সদস্য নিহত!
এদিকে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে লক্ষ্য করে ‘পদক্ষেপ’ নিতে পারে বলে জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র রোববার (১১ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালকে এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, গত এক সপ্তাহে বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে স্থানান্তর করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতেও এই সরঞ্জাম ও সামরিক সম্পদের স্থানান্তর অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তারা আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপের পরই (ইরানে) কেবল ইসরাইল এতে অংশ নেবে। তবে সেটিও তখনই, যদি ইরান ইসরাইলের ওপর হামলা চালায় অথবা হামলার স্পষ্ট প্রস্তুতির লক্ষণ দেখা যায়।
আরও পড়ুন: ইরান সরকার কি পতনের মুখে?
এদিকে ইরানে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে বড় সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে হস্তক্ষেপ করতে পারে এমন আশঙ্কায় উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে ইসরাইল।
সূত্র: রয়টার্স, ইরান ইন্টারন্যাশনাল
]]>
৩ দিন আগে
৩








Bengali (BD) ·
English (US) ·