জানা যায়, লোভনীয় নানা অফারে গ্রাহক টানার চেষ্টা করছে মোবাইল অপারেটররা। তবে বাস্তব চিত্র ভিন্ন। গেল জুনে টেলিকম খাতে স্বচ্ছতা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত সিম ব্যবহারের সীমা ১৫ থেকে ১০টিতে নামায় সরকার। এরপর থেকেই কমছে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশনের (বিটিআরসি) তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জুলাইয়ে দেশে মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল ১২ কোটি ১৫ লাখ। সাত মাসে ৭৩ লাখ গ্রাহক কমে এই সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৪২ লাখে। ডাটা ব্যবহারের খরচ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ গ্রাহকের।
যদিও ইন্টারনেট গ্রাহক কমার প্রভাব পড়েনি বড় দুই অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবির আয়ে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গ্রামীণফোন বলছে, ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে মোট ৩ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকায় আয় করেছে তারা, যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি। এ সময়ে রবি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৩১১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: প্রথমবারের মতো চলন্ত ট্রেনে চালু হলো স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা
রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার সাহেদ আলম বলেন, ‘গ্রাহক সংখ্যা কমছে। সব দিক বিবেচনায় দাম বাড়ানোর প্রশ্নই আসে না। সহনীয় পর্যায়ে কাউকে আমরা বান্ডেল প্যাক দিতে পারি, সার্ভিস দিতে পারি-- সেভাবেই আমরা কাজ করছি।’
মোবাইল অপারেটররা গ্রাহক হারালেও ভিন্ন চিত্র ব্রডব্যান্ড সেবায়। সেখানে ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ। দেশে বর্তমানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারী ১ কোটি ৪৭ লাখ গ্রাহক।
আইএসপিএবির সভাপতি আমিনুল হাকিম বলেন,
৫০০ টাকায় ২০ থেকে ৩০ এমবিপিএসের প্যাকেজ মার্কেটে সরবরাহ করা হচ্ছে। গ্রাহককে বাড়তি সুবিধা কীভাবে দেয়া যায়, সেই ব্যাপারে সব সময় সচেতন ভূমিকা পালন করছি।
আরও পড়ুন: ব্যবহৃত মোবাইল ফোন যেভাবে ডি-রেজিস্ট্রেশন করবেন
টেলিকম খাতের ৪টি প্রতিষ্ঠান মোবাইল ইন্টারনেট সেবা দেয়। আর ব্রডব্যান্ড সেবায় আছে অন্তত ৩ হাজার আইএসপি। সব মিলে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটি।
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·