ইউরোপের হাতে ‘মাত্র ছয় সপ্তাহের’ জেট ফুয়েল, ফ্লাইট বাতিলের শঙ্কা

১ সপ্তাহে আগে
ইউরোপের হাতে ‘হয়তো ছয় সপ্তাহের জেট ফুয়েল অবশিষ্ট আছে’ বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান।

চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি বলেছে, ইউরোপ যদি মধ্যপ্রাচ্য থেকে তার আমদানির অন্তত অর্ধেক পূরণ করতে না পারে, তাহলে জুন মাসেই জ্বালানির মজুত সংকটজনক অবস্থায় পৌঁছাতে পারে। খবর বিবিসি’র।

 

পারস্য উপসাগর থেকে জেট ফুয়েল রফতানির একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী মার্কিন ও ইসরাইলি হামলার জবাবে ইরান ছয় সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে কার্যত বন্ধ করে রেখেছে, যার ফলে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে এবং ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

 

আরও পড়ুন: কোথায় এবং কেন জব্দ হয়ে আছে ইরানের বিপুল সম্পদ

 

আইইএ-র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল সংবাদ সংস্থা এপি-কে বলেছেন, সরবরাহ আটকে থাকলে শিগগিরই ফ্লাইট বাতিলের মতো পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।

 

জ্বালানি সরবরাহ ও নিরাপত্তা বিষয়ে ৩২টি সদস্য দেশকে পরামর্শদাতা সংস্থা আইইএ তার মাসিক তেল বাজার প্রতিবেদনে বলেছে, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে রফতানি বৈশ্বিক জেট ফুয়েল বাজারের সবচেয়ে বড় উৎস।

 

কোরিয়া, ভারত ও চীনের মতো অন্যান্য প্রধান রফতানিকারক দেশগুলোর শোধনাগারগুলোও মধ্যপ্রাচ্য থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।

 

এর ফলে চলমান এই সংকট ‘বিমান জ্বালানি বাজারের কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে’ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

 

আরও পড়ুন: ইরান যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি অবকাঠামোর ক্ষতি ৫৮ বিলিয়ন ডলার!

 

যুক্তরাজ্য সরকারের এক মুখপাত্র বিবিসিকে জানিয়েছেন, জ্বালানি সরবরাহকারী ও এয়ারলাইন্সগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ‘মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা’ করতে কাজ করছে সরকার।

 

সূত্র: বিবিসি

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন