ইংলিশ স্পিনারদের ঘূর্ণিতে অল্প রানেই আটকে গেলো নিউজিল্যান্ড

১ দিন আগে
আগের দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলেছে ইংল্যান্ড। আজ জিতলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে পা রাখবে নিউজিল্যান্ড, আর হারলে তাকিয়ে থাকতে পাকিস্তানের দিকে। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় নিউজিল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা যোগ করে ৬৪ রান। কিন্তু এরপরই শুরু হয় তাদের ব্যাটিং ধস। রশিদ-জ্যাকস-রিহানদের সামনে যেন অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হলো রাচিন-মিচেলদের। ওপেনার টিম সেইফার্টের ৩৫, ফিন অ্যালেনের ২৯ ও গ্লেন ফিলিপসের ৩৯ রানে ভর করে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রানে থামে কিউইদের ইনিংস।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় নিউজিল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৪ রান যোগ করেন দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেন। সপ্তম ওভারের শেষ বলে আদিল রশিদের বলে ২৫ বলে ৩৫ রান সেইফার্ট ফিরলে ভাঙে এই জুটি।

 

আরও পড়ুন: খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ চাইলেন লঙ্কান অধিনায়ক 

 

এর পরপরই সাজঘরের পথ ধরেন ফিন অ্যালেন। ১৯ বলে ২৯ রান করে উইল জ্যাকসের বলে জ্যাকব বেথেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ওপেনার। তৃতীয় উইকেট জুটিতে গ্লেন ফিলিপসকে নিয়ে এগোতে থাকেন রাচিন রবীন্দ্র। দলীয় ৯৭ রানের মাথায় রাচিনকে ফিরিয়ে সেই জুটি বেশি বড় হতে দেননি রেহান আহমেদ। বেথেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ১১ রান। 

 

চতুর্থ উইকেট জুটিতে মার্ক চ্যাপম্যানকে নিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৮ বলে ২৬ রান যোগ করেন গ্লেন ফিলিপস। উইল জ্যাকস-এর বলে বোল্ড আউট হয়ে ফিলিপস ফিরলে ভাঙে এই জুটিও। এরপর আর কোনো ব্যাটারই ইনিংস বড় করতে পারেননি। চ্যাপম্যান ৯ বলে ১৫, ডারিল মিচেল ৮ বলে ৩ ও কোল ম্যাককঞ্চি ১২ বলে ১৪ রান করে আউট হন। 

 

আরও পড়ুন: পাইবাসের আফগানিস্তানে গিয়ে কাজ করতে অসুবিধা নেই

 

অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার অপরাজিত থাকেন ৫ বলে ৯ রান নিয়ে। আরেক প্রান্তে ম্যাট হেনরি অপরাজিত থাকেন ১ বলে ১ রান নিয়ে। ইংল্যান্ডের হয়ে আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস ও রেহান আহমেদ ২টি করে উইকেট শিকার করেন। এছাড়া লিয়াম ডসন নেন ১টি উইকেট।

]]>
সম্পূর্ণ পড়ুন