বাসের দরজা ভেঙে গেছে। বাসের ভেতর থেকে স্কুল ব্যাগ, জুতা-স্যান্ডেল, ভ্যানিটি ব্যাগ ও অন্যান্য ব্যাগ ভেসে উঠতে দেখা গেছে। তিনটি অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়েছে।
এর আগে, বুধবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মায় পড়ে যায় সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি। এ বাসে যাত্রী ছিল ৪৫ থেকে ৫০ জনের মতো। এর মধ্যে ৭ জন সাঁতরে উপরে উঠতে সক্ষম হয়েছেন।
আরও পড়ুন: পদ্মায় বাসডুবির ৫ ঘণ্টা: এখনও নিখোঁজ ৪০ জন!
রাজবাড়ীর সিভিল সার্জন ডা. এসএম মাসুদ জানান, ফেরিঘাট থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ডুবে যাওয়া বাস থেকে ২ নারীর মরদেহ উদ্ধার
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কমান্ডার মো. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ৪০ জনের মতো যাত্রী পানির নিচে রয়েছে। ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুজন ডুবুরি, দুজন সহকারী ডুবুরি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট ফায়ার সার্ভিসের একটি দল উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে।
আরও পড়ুন: পন্টুনের নিচে বাস, ভাঙা যাচ্ছে না দরজা-জানালা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদ্ধারকারী জাহাজ অনেক দেরিতে এসেছে পৌঁছেছে। তাছাড়া ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দলও এক ঘণ্টার বেশি সময় পর উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন।
সৌহার্দ্য বাসে থাকা আবদুল আজিজুল নামে এক যাত্রী জানান, তিনি রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলার গান্ধীমারা এলাকা থেকে এই বাসটিতে উঠেছিলেন। নদীতে পড়ে যাওয়ার পর তিনি সাঁতরে উপরে উঠতে পারলেও তার স্ত্রী ও শিশুসন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।
আরও পড়ুন: ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রীবাহী বাস উল্টে নদীতে, বহু হতাহতের শঙ্কা
বাসটি কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে এসেছিল। খুবই অল্প সংখ্যক যাত্রী সাঁতরে উপরে উঠতে পেরেছেন বলেও জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

৪ সপ্তাহ আগে
৭








Bengali (BD) ·
English (US) ·