বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়নের রসুলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা জুলহাস মিয়ার স্ত্রী আসমা বেগম (৪৫) একটি সিআর মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। তাকে গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে বুধবার দিবাগত রাতে অভিযান চালায় আড়াইহাজার থানা পুলিশ। এ সময় আসামির পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন মিলে পুলিশের সরকারি কাজে বাধা দেন এবং বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) অজিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আরিফ, এএসআই ফারুক, এএসআই আরিফ, এএসআই সাইফুল, এএসআই নিজাম এবং কনস্টেবল শামীম, শাহিন, এমদাদ ও নারী কনস্টেবল বীথি আহত হন। খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ থাকা আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে প্রতারণা, স্বামী-স্ত্রী আটক
সার্বিক বিষয়ে আড়াইহাজার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার সরকার বলেন, ‘ওয়ারেন্টভুক্ত নারী আসামি আসমাকে আটক করার পর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তার আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে ঘেরাও করে রাখে এবং হামলা চালায়। হামলায় পুলিশের নয়জন আহত হন। এতে আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। পরে খবর পেয়ে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে অবরুদ্ধ ও আহত নয় পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। ঘটনার একপর্যায়ে আসামি আসমাকে তার স্বজনরা পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জেলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে রিমান্ডের আবেদন করা হবে। এছাড়া হামলায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করতে থানা পুলিশের অভিযান চলছে।’
]]>
২ সপ্তাহ আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·