বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, একীভূত হওয়া ব্যাংক ও অবসায়নের আওতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ভুক্তভোগী আমানতকারীদের অপরাধ নেই, অপরাধ যদি করে থাকে তা যারা ব্যাংক লুট করেছে তাদের। এর দায় নিতে হচ্ছে আমানতকারীদের, যা কাম্য নয়। আমরা বিষয়টি যত দ্রুত সম্ভব সমাধানে কথা বলেছি। আমানতকারীদের টাকা দ্রুত ফেরত দেয়ার বিষয়ে আন্তরিক বাংলাদেশ ব্যাংক।
একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংক হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী ও এক্সিম ব্যাংক। এস আলম নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকগুলোতে ২ লাখ কোটি টাকার ঋণের মধ্যে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এর বিপরীতে ৫ ব্যাংক একীভূত করায় সরকারের বিনিয়োগ ২০ হাজার কোটি টাকা।
গভর্নর জানান, ব্যাংকে আমানত তোলায় যারা সমস্যায় পড়ছেন তা সমাধানের বিষয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ে আলোচনা হয়েছে৷ তবে সীমিত সম্পদ দিয়ে সকল আমানত একসাথে ফেরত দেয়াও সম্ভব নয় বলে জানান তিনি। তবে দ্রুত সমস্যা সমাধানে অর্থ মন্ত্রণালয়কে তাড়া দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আরও পড়ুন: ৫ ব্যাংকের কাছে পাওনা ১০ হাজার কোটি টাকা ফেরত চাইল ইসলামী ব্যাংক
এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় অবসায়নের পথে থাকা ৯ থেকে ১০টি রুগ্ণ নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের- এনবিএফআই এর আমানতকারীদের পাওনা পরিশোধের জন্য সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সে অর্থ ছাড়ের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ছয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসায়নের জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া যেতে পারে চলতি বছরের জুলাইয়ে। দুই দফায় এই অর্থ পাওয়া যাবে বলে আশাবাদ বাংলাদেশ ব্যাংকের।
গত ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অবসায়নের তালিকায় রয়েছে পিপলস লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, ফাস ফাইন্যান্স এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এছাড়া তিন থেকে ছয় মাস সময় দেয়া হয়, প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি।
]]>
৩ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·