ব্রাজিলের স্থানীয় গণমাধ্যম ও ইএসপিএনের তথ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পিওনাতো পউলিস্তা থেকে সান্তোসের বিদায়ের পর নেইমারকে নিয়ে আলোচনা বাড়লেও জাতীয় দলের কোচিং স্টাফের পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আসেনি। শুরু থেকেই মার্চ উইন্ডোর জন্য নেইমারকে ভাবা হয়নি।
মার্চে ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্র সফরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রীতি ম্যাচ খেলবে। প্রতিপক্ষ ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া। বোস্টন ও অরল্যান্ডোতে অনুষ্ঠিতব্য এই ম্যাচ দুটিকে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন আনচেলত্তি। তবে এই দুই ম্যাচে নেইমারকে ঝুঁকি নিয়ে ফেরানোর কোনো ইচ্ছে নেই ইতালিয়ান কোচের। দীর্ঘ চোটের পর ফেব্রুয়ারিতে ধীরে ধীরে মাঠে ফেরা নেইমারকে আগে ক্লাব ফুটবলে ছন্দ ফিরে পেতে দিতে চান তিনি।
ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) নেইমারের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তবে আনচেলত্তির বার্তা স্পষ্ট, খ্যাতি নয়, অগ্রাধিকার পাবে শারীরিক সক্ষমতা।
আরও পড়ুন: ছোটবেলায় ইংরেজি না শেখায় আফসোস করছেন মেসি
নেইমার জাতীয় দলে কীভাবে মানিয়ে নেবেন, তা নিয়ে কোচিং স্টাফের কোনো সংশয় নেই। বরং প্রশ্ন একটাই, তিনি আধুনিক আন্তর্জাতিক ফুটবলের চাহিদা অনুযায়ী শারীরিকভাবে প্রস্তুত কিনা। মে মাসে চূড়ান্ত মূল্যায়নের পরই বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় তার নাম বিবেচনা করা হবে।
নেইমার এর আগে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে খেলেছেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলতে পারলে সেটি হবে তার চতুর্থ বিশ্বকাপ। তবে সবকিছু নির্ভর করছে তার পারফরম্যান্স ও ফিটনেসের ওপর। শারীরিক ও টেকনিক্যার দিক থেকে প্রত্যাশিত মানে পৌঁছাতে না পারলে জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখা নাও যেতে পারে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে।
আরও পড়ুন: ধর্ষণের অভিযোগে বিচার শুরু, সত্য প্রকাশ্যে আসার অপেক্ষায় হাকিমি
নেইমার ইস্যুতে সমর্থকদের আবেগ থাকলেও কোচিং স্টাফ এখন বেশি মনোযোগ দিচ্ছে দলের ভারসাম্য নিয়ে। বিশেষ করে দুই ফুলব্যাক পজিশন, সেন্টারব্যাকে মারকুইনোস ও গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহায়েস এর বিকল্প, মাঝমাঠে ব্রুনো গিমারেসের ব্যাকআপ এবং আক্রমণভাগের চূড়ান্ত কাঠামো; এসব নিয়েই চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
]]>
৩ দিন আগে
২








Bengali (BD) ·
English (US) ·