দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় পত্রিকায় শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত কিছু খবর নিচে তুলে ধরা হলো।
আগের ‘বোঝা’য় পিষ্ট সরকার- দৈনিক কোলের কণ্ঠের প্রধান খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী সরকারের ধারাবাহিকতায় অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরানোর বদলে বরং পরিস্থিতিকে আরো নাজুক ও ভঙ্গুর করেছে সদ্যোবিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকার। ব্যাংকিং খাতে ভগ্নদশা। ব্যবসায়ীদের আস্থাহীনতায় বিনিয়োগে মন্দা। বড় রাজস্ব ঘাটতি।
উচ্চ সুদের হারে রুগ্ণ বেসরকারি খাত-ব্যবসা-উদ্যোগ। একের পর এক কারখানা বন্ধ। লাখো মানুষের চাকরি খোয়ানো। মব সন্ত্রাস। হত্যা-জেল-জরিমানা-নিরাপত্তাহীনতায় বিপন্ন জনজীবন। প্রশ্নবিদ্ধ বিদেশি চুক্তি। বাস্তবতাবিবর্জিত পে স্কেলের ইস্যু। ধারদেনা-ঋণের বোঝা।
অর্থনীতির স্থবিরতা কাটিয়ে আস্থা তৈরিই বড় চ্যালেঞ্জ - দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের পর দায়িত্ব নেওয়া নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় যে বাস্তবতা অপেক্ষা করছে, তা হলো চাপের মধ্যে থাকা অর্থনীতি। বিগত সরকারের ধারাবাহিকতায় অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই এক ধরনের স্থবিরতা রয়ে গেছে। কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ না আসা, মূল্যস্ফীতির চাপ ছাড়াও কর্মসংস্থান নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে। রাজস্ব আদায় কাঙ্ক্ষিত না হওয়ায় বাজেট বাস্তবায়নে ধার বাড়াতে হয়েছে বিদায়ি সরকারকে।
তবে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারও উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতির স্থবিরতা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করেছে। সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বিভিন্ন সময় বলেছেন, খাদের কিনারা থেকে টেনে তোলার চেষ্টা করেছেন। কিছু ক্ষেত্রে সফলতাও এসেছে। রিজার্ভের পতন ঠেকানো গেছে, রেমিট্যান্স বেড়েছে। ডলারের সংকটময় পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়েছে।
ঢাকায় এক মাসেই মশা বেড়েছে ৪০%, ঘণ্টায় কামড়াতে আসে ৮৫০টি - দৈনিক প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে, ঢাকায় মশার উপদ্রব শুধু বেড়েই চলেছে এমন নয়; বরং তা মারাত্মক মাত্রা ছুঁয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশারের নেতৃত্বে পরিচালিত এ গবেষণায় দেখা গেছে, জানুয়ারি মাসের তুলনায় চলতি ফেব্রুয়ারিতে মশার সংখ্যা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আর মশার ৯০ শতাংশই কিউলেক্স। মার্চে মশার পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
গবেষকেরা বলছেন, তিন কারণে এবার মশার প্রকোপ বেড়েছে। প্রথমত, এবার শীতের মাত্রা কম আর স্বাভাবিকের চেয়ে একটু আগেই শীত বিদায় নিয়েছে। আবার এ বছর মশার প্রকোপ আগেই শুরু হয়েছে। দ্বিতীয়ত, নর্দমা ও জলাশয়ের দূষণ যথাযথভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। তৃতীয়ত, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে জনপ্রতিনিধির অভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি এগোচ্ছে না।
আট পদক্ষেপ জরুরি - দৈনিক যুগান্তরের প্রথম পাতার খবর এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণভাবে প্রবল অর্থ সংকটের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নতুন সরকারের যাত্রা। আয়ের চেয়ে খরচ বেশি হওয়ায় অর্থ সংকট আরও প্রকট হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় সরকারকে সবার আগে উদ্যোক্তাদের আস্থার সংকট দূর করতে হবে। জরুরিভিত্তিতে সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙা করার পদক্ষেপ নিতে হবে। দেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পদক্ষেপ নিতে হবে ঋণের সুদের হার কমানোর।
পাশাপাশি উন্নয়ন ঘটাতে হবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির। একই সঙ্গে সরকারকে আমদানি ও রফতানি বাড়ানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এর জন্য কম সুদে ও সহজ শর্তে বৈদেশিক ঋণ সংগ্রহের পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। অপচয় ও দুর্নীতির লাগাম টানতে হবে। এতে মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল হবে। ফলে রাজস্ব আয় বাড়বে। এর মাধ্যমে সরকারের অর্থ সংকট ঘুচতে থাকবে।
এজলাস ভাগাভাগি, বসার জায়গা নেই ২৯ বিচারকের - দৈনিক সমকালে প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রামের দুটি অর্থঋণ আদালতে ৮০টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের বিচার চলছে। নিয়ম অনুযায়ী দুই বিচারকের জন্য আলাদা এজলাস ও খাস কামরা থাকার কথা। কিন্তু এ দুই আদালতের দুই বিচারক একটি খাস কামরায় বসছেন। ভাগাভাগি করে ব্যবহার করছেন একটি এজলাস। সকালে অর্থঋণ আদালত-২ এর বিচারক এজলাসে উঠে বিচারিক কাজ শেষ করার পর দুপুরে একই এজলাসে ওঠেন অর্থঋণ আদালত-৩ এর বিচারক। কক্ষ সংকটের কারণে এজলাস ভাগাভাগি করে চলছে বিচারিক কাজ।
একই অবস্থা চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের ছয় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতে। ৬ যুগ্ম জজ এক এজলাস ও একই খাস কামরা ভাগাভাগি করে বিচারিক কাজ করছেন। সকালে এজলাসে একজন যুগ্ম জজ উঠলে অন্যজন বসে থাকেন খাস কামরায়। তিনি এজলাস থেকে নামার পর অন্য যুগ্ম জজ দুপুরের পর একই এজলাসে ওঠেন। এভাবে গত ছয়-সাত মাস একটি এজলাস ও খাস কামরা ভাগাভাগি করে দুই জজকে বিচারিক কাজ করতে হচ্ছে। কারণ চট্টগ্রামে নতুন ২৯ বিচারকের পদ সৃষ্টি করে বিচারক পদায়ন করলেও তাদের বসার কক্ষ এবং বিচারিক কাজ করার পর্যাপ্ত এজলাস নেই। সংকট রয়েছে খাস কামরারও। শিগগিরই অবকাঠামোগত সংকট থেকে নিস্তার পাওয়ার সুযোগ নেই বলে আদালত-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
শিক্ষা খাতে তিন ধাপে ১২ সংস্কারের ঘোষণা - দৈনিক বণিকবার্তায় প্রকাশিত সংবাদ এটি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দসহ ১২টি নীতিগত এজেন্ডা হাতে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এসব উদ্যোগ তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা ও খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা, বাংলা ও ইংরেজির বাইরে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি এবং উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় ইনোভেশন গ্র্যান্ট চালু। মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে গতকাল আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এজেন্ডাগুলো তুলে ধরেন। এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না। শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতি গঠনের প্রধান প্রকল্প।’
]]>
২ সপ্তাহ আগে
৪






Bengali (BD) ·
English (US) ·