নতুনদের মধ্যে কোন তিনজন সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার হয়ে চমক/ভালো কিছু করেছেন? গত বছর বর্ডার গাভাস্কার সিরিজে নাথান ম্যাকসুইনি অফফর্মের কারণে বাদ পড়ার পর অভিষেক হয়েছিল স্যাম কনস্টাসের। তিনি অস্ট্রেলিয়ার সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ওপেনার। দলে ঢুকেই তিনি যা করেছিলেন, তা নিশ্চিতভাবেই টেস্ট ক্রিকেট দীর্ঘদিন মনে রাখবে। জাসপ্রিত বুমরাহর মতো বোলারকে ওভারে ১৮ রান হজম করান।
অবশ্য প্রথম ১৮ বল পর্যন্ত কনস্টাস হয়তো ভয়েই ছিলেন। ব্যাটে বলে করতে পারছিলেন না, করেন মাত্র ২ রান। স্কুপ করার চেষ্টা করেছিলেন, হচ্ছিল না। এরপর বিধ্বংসী ইনিংস, যা শেষ হয় ৬৫ বলে ৬০ রান করে। ওই একই সিরিজে অভিষেক হয়েছিল বো ওয়েবস্টারের। তাসমানিয়া অলরাউন্ডার সিডনি টেস্টে ৫৭ ও ৩৯* রানের দুটি ইনিংস খেলেছিলেন, নিয়েছিলেন শুভমান গিলের উইকেট। এরপর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে ২৩ ও ৩১ রানের দুই ইনিংস। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্টে বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথুও কুনেমান নেন ১৬ উইকেট, হয়েছিলেন সিরিজসেরা খেলোয়াড়ও। সব মিলিয়ে ৫ টেস্টে তার উইকেটসংখ্যা ৩৫।
আরও পড়ুন: পুরানো কর্তারাই শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের দায়িত্বে
এই তিনজনই অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নতুন মুখ।
মিচেল মার্শ ও ক্যামেরন গ্রিন কিছুদিন আগেও চোটে ভুগেছেন। শঙ্কা ছিল তারা কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পাবেন কি না, শঙ্কা দূর হয়েছে। ২৩ সদস্যের চুক্তিতে প্রত্যাশিতভাবে জায়গা ধরে রেখেছেন স্টিভ স্মিথ, উসমান খাজা, নাথান লায়নদের মতো সিনিয়ররা।
অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় চুক্তিতে যারা
প্যাট কামিন্স, স্টিভ স্মিথ, নাথান লায়ন, আলেক্স ক্যারি, স্যাম কনস্টাস, জশ হ্যাজেলউড, মিচেল স্টার্ক, নাথান এলিস, ঝাই রিচার্ডসন, স্কট বোল্যান্ড, ল্যান্স মরিস, ম্যাথুও কুনেমান, অ্যাডাম জাম্পা, ট্রাভিস হেড, ম্যাট শর্ট, জশ ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্নাস লাবুশেন, উসমান খাজা, মিচেল মার্শ, বো ওয়েবস্টার, ক্যামেরন গ্রিন ও জাভিয়ের বার্টলেট।
]]>