মরক্কোয় চলমান মহাদেশীয় টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোর ম্যাচে শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে তিউনিশিয়ার মুখোমুখি হয় মালি। এ ম্যাচে অবশ্য ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামে তিউনিশিয়া।
ম্যাচের ২৬ মিনিটেই বড় ধাক্কা খায় মালি। লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন কুলিবালি, আর তাতেই ১০ জনের দলে পরিণত হয় মালি। ১০ নিয়েও দারুণভাবে নিজেদের দুর্গ সামলে রাখে তারা। তবে ম্যাচের ৭৯ মিনিট পর্যন্ত গোলের জন্য কোনো শটই নিতে পারেনি কোনো দল।
ম্যাচের ৮৮তম মিনিটে ফিরাস শাওয়াতের গোলে এগিয়ে যায় তিউনিসিয়া। তখন মনে হচ্ছিল, মালির বিদায় কেবল সময়ের ব্যাপার। কিন্তু যোগ করা সময়ে পাল্টে যায় দৃশ্যপট, প্রতিপক্ষের হ্যান্ডবলে পেনাল্টি পেয়ে যায় তারা। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে সফল স্পট-কিকে দলকে সমতায় ফেরান লাসিনে সিনায়োকো।
আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের আগে দুই বড় নিয়মে পরিবর্তনের ইঙ্গিত ফিফার
এরপর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। শেষ পর্যন্ত খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুটআউটের শুরুতেও হোঁচট খায় মালি। তাদের প্রথম শটে ব্যর্থ হন আলি আবদি। তবে দলটির গোলরক্ষক ডিগুই দিয়ারা তিউনিসিয়ার দুটি শট ঠেকিয়ে দেন। আর তাতেই টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে জিতে শেষ আটের টিকিট পায় মালি।
আসরে এর আগে ‘এ’ গ্রুপে নিজেদের তিন ম্যাচের সবকটি ড্র করে গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা দল হিসেবে নকআউট পর্বে ওঠে মালি। প্রথম ম্যাচে জাম্বিয়ার বিপক্ষে ৬১তম মিনিটে সিনায়োকোর গোলে এগিয়ে যায় তারা। যোগ করা সময়ে সমতা টানে জাম্বিয়া। আসরে কোনো ম্যাচে ওই সময়টুকুই শুধু এগিয়ে থাকতে পারে মালি। ম্যাচটি শেষ হয় ১-১ সমতায়।
আরও পড়ুন: আবারও হোঁচট খেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
পরের ম্যাচে তারা ১-১ গোলে রুখে দেয় স্বাগতিক মরক্কোকে। সেদিন প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্রাহিম দিয়াসের গোলে এগিয়ে যায় মরক্কো। ৬৪তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা টানেন সিনায়োকো।
গ্রুপের শেষ ম্যাচে কমোরোসের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে মালি। এরপর শেষ ষোলোর নাটকীয় জয়ে শেষ আট নিশ্চিত করে মালি। আফ্রিকান নেশন্স কাপে মালির সেরা সাফল্য ১৯৭২ সালে রানার্সআপ হওয়া। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠল তারা।
]]>
১ সপ্তাহে আগে
৪








Bengali (BD) ·
English (US) ·