বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহ-সভাপতি ও দলনেতা (শেফ দ্য মিশন) মেজর ইমরোজ আহমেদ (অব.) বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমরা তিনবার মেডেল পেয়েছি কাবাডিতে। এবারও কাবাডিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অন্য ইভেন্টগুলো থেকেও ভালো ফলাফলের আশা রাখছি।’
বাংলাদেশের অংশগ্রহণ করা ডিসিপ্লিনগুলো হলো—বিচ অ্যাথলেটিকস, ওপেন ওয়াটার সুইমিং, বিচ হ্যান্ডবল, বিচ কাবাডি, বিচ রেসলিং ও বিচ ভলিবল। এর মধ্যে কাবাডিতে পুরুষ ও নারী মিলিয়ে ১২ জন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছেন, যা দলটির সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে বিবেচিত।
আরও পড়ুন: ক্রীড়াঙ্গনে নববর্ষের আমেজ— দেশজুড়ে গ্রামীণ খেলা আয়োজনের প্রতিশ্রুতি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
এর আগে এশিয়ান বিচ গেমসের প্রথম তিন আসরে বাংলাদেশ কেবল কাবাডিতেই সাফল্য পেয়েছে। পুরুষ বিভাগে একটি এবং নারী বিভাগে দুটি ব্রোঞ্জ পদক এসেছে এই ইভেন্ট থেকে। তাই এবারের আসরেও কাবাডিকে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি প্রত্যাশা।
আগামী ২২ এপ্রিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পতাকা বহন করবেন বিচ হ্যান্ডবল দলের রবিউল আউয়াল ও বিচ অ্যাথলেটিকসের সুমাইয়া দেওয়ান। আর সমাপনী অনুষ্ঠানে পতাকা বহনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিচ ভলিবল দলের হরসিৎ বিশ্বাসকে।
১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া প্রস্তুতি ক্যাম্প নিয়ে সন্তুষ্ট বিওএ। এ বিষয়ে ইমরোজ আহমেদ বলেন, ‘খেলোয়াড়রা বেশ আন্তরিকভাবে অনুশীলন করেছে। আমরা মনিটরিং করে কোনো ঘাটতি পাইনি। আশা করছি তারা ভালো ফল এনে দিতে পারবে।’
১৭ এপ্রিল তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আগে সানিয়ায় যাবে প্রশাসনিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে। এরপর ১৮ এপ্রিল থেকে পর্যায়ক্রমে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা সেখানে পৌঁছাবেন।
আরও পড়ুন: মোটরস্পোর্টসে আলো ছড়াচ্ছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ভাই
গেমসের জন্য মোট ৫.৫৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে ২.১৫ কোটি টাকা প্রশিক্ষণ এবং ৩.৩৯ কোটি টাকা অংশগ্রহণ ব্যয়ে ধরা হয়েছে। সরকারি অনুমোদন না আসা পর্যন্ত আপাতত নিজস্ব তহবিল থেকেই ব্যয় বহন করছে বিওএ।
]]>
১৫ ঘন্টা আগে
২







Bengali (BD) ·
English (US) ·