বাংলাদেশ ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে। এই জয়ের ফলে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরল প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে হারা পাকিস্তান। ১৫ মার্চের তৃতীয় ম্যাচটি পরিণত হলো অঘোষিত ফাইনালে।
মিরপুরে তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে লিটন দাস ১৫ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশকে চাপ থেকে উদ্ধার করেছিলেন। বৃষ্টির পর দ্রুত রান তোলা শুরু করেন তিনি। ৩২ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে ২৪৩ রানের লক্ষ্য পাওয়া বাংলাদেশ আশাও দেখতে শুরু করে। কিন্তু ৩৩ বলে ৪১ রান করে লিটনকে থামতে হয় মাজ সাদাকাতের বলে। তার ২ ছয় ও ৪ চারের ইনিংস শেষে বাকিরা কোনো প্রতিরোধই গড়তে পারেননি।
ছয় নম্বরে নামা আফিফ হোসেন বিদায় নেন ১৪ রান করে। মেহেদী হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান সিঙ্গেল ডিজিট থেকে উত্তরণ করতে পারেননি। মিরাজ ফাহিম আশরাফের বলে টাইমিং করতে না পারায় মোহাম্মদ ওয়াসিমের ক্যাচে পরিণত হন। রিশাদের স্টাম্প ভেঙে দেন সাদাকাত।
আরও পড়ুন: আহত হয়ে হাসপাতালে পাকিস্তানের হুসাইন তালাত
শেষ স্বীকৃত ব্যাটার হিসেবে তাওহীদ হৃদয় আউট হন ২৮ রান করে। তখন দলীয় রান ১০৩। এরপর স্কোর বোর্ডে যোগ হয় আর ১১ রান। হৃদয়, ফিজ ও তাসকিন এই তিন জনের উইকেটই নেন হারিস রউফ। সাদাকাতের শিকারও ৩। শাহিন আফ্রিদি নেন ২ উইকেট।
এর আগে পাকিস্তানকে ২৭৪ রানে অলআউট করে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের শেষ ৭টি উইকেট পড়ে ৪৩ রানের মধ্যে। ইনিংসের সফল বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ ও রিশাদ হোসেন। দলপতি ২ উইকেট নেন মাত্র ৩৪ রানের বিনিময়ে, ৫৬ রানে রিশাদের শিকার ৩। পাকিস্তানের পক্ষে ফিফটি করেছেন মাজ সাদাকাত ও সালমান আলী আগা।

৪ সপ্তাহ আগে
৫








Bengali (BD) ·
English (US) ·